বয়স 1টা সংখ্যা মাত্র। বয়সের একটা সংখ্যা পরিয়ে ,যারা জীবন ও বয়সের গোলকধাঁধায় পড়ে , জীবনের অনেক বিষয়ের সাধ-ই পূরণ হয় নি ,তাদের সামনে কিন্তু সুবর্ণ সুযোগ । সেই সমস্ত অপূর্ণ সাধ পুরন করে নেবার। কারণ , বয়সের নিয়ম -কানুন বাধা গণ্ডি মেনে অনেক কিছুই হয় না। যদি তাই হতো তাহলে আমরা অনেক বড় বড় মানুষকে পেতাম না, যারা সফলতাকে হাতের মুঠোয় অর্জন করে দেখিয়েছেন । আপনারও যদি সেই স্বাদ পূরণের ইচ্ছা থাকে ? তাহলে আর সময় নষ্ট না করে নিজের ইচ্ছা বা শখ পূরণ করে নেবার জন্য একবার চেষ্টা করে দেখুন। চেষ্টা করার আগে এই আর্টিকেলটিতে একবার চোখ বুলিয়ে নিন…..

শেষের আগে II
কে যেন বলেছিল বয়স একটি সংখ্যা মাত্র !
কে বলেছিল সেটা আমার সঠিক জানা নেই !
তবে সেই সংখ্যা নিয়ে ভাবাভাবিক করার একটা অভ্যাস বা বাতিক কিন্তু মানুষের মধ্যে প্রচণ্ড পরিমাণেই দেখা যায়।
গতানুগতিক হিসেবে বয়স অনুযায়ী কাজকর্মের কিছু নিয়ম কানুন থাকলেও আদতে কোন কাজেরই নির্দিষ্ট কোন বয়স হয় না ।
বহু মানুষই আছেন
যারা নির্দিষ্ট বয়সে বা নির্দিষ্ট সময়ে যে কাজ করা উচিত ছিল
সেগুলো ঠিকমতো করে উঠতে পারেনি বা নানা রকম বাধা-বিঘ্নতে করা সম্ভব হয়ে ওঠে নি !
কিন্তু প্রচন্ড ইচ্ছা এবং মনের জোর থাকাতে
একটা অসম্ভব কাজকে তারা বাস্তবে রূপদান করতে পেরেছিলেন একটু বেশী বয়সে !
এরকম উদাহরণ একটা নয় বহু দেওয়া সম্ভব….
শেখার আবার বয়স কি ?

যারা বলেন,
এই কাজ করার বয়স আমার নেই,
এই বয়সে আর এই কাজ করা সম্ভব নয়
তাদের জন্য এই আর্টিকেলটি ।
একটু কষ্ট করে পড়লেই ভুল ভেঙে যাবে ।
আপনিও যদি এই ভুল ভাঙ্গাতে চান তাহলে এই আর্টিকেলটি চটপট পুরোটা পড়ে ফেলুন ।
লেখক লিও তলস্তয় সাইকেল চালানো শিখেছিলেন ৬৭ বছর বয়সে।
আমরা হলে বয়সের দোহাই দিয়ে ,চেষ্টা না করে হা হুতাশ করে জীবন কাটিয়ে দিতাম।

শিল্পী পাবলো পিকাসো বিয়ে করেছিলেন ৭৬ বছর বয়সে।
কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছবি আঁকতে শুরু করেছিলেন ৬১ বছর বয়সে।
সবচেয়ে বেশি বয়সে নোবেল পাওয়া মানুষটির নাম লিওনিদ হুরউইজ,
তিনি মাত্র ৯০ বছর বয়সে নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন।
সবচেয়ে বেশি বয়সে অস্কার পুরস্কার পেয়েছেন এমানুয়েল রিভা, মাত্র ৮৫ বছর বয়সে !

একটা নির্দিষ্ট বয়সের পরেই
আমরা ও আমাদের ছেলেমেয়েদের একটা বড় অংশ বলতে থাকি –
আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবেনা।
এই কাজটা করবো কীভাবে ?
বয়স আছে ?
সবচেয়ে বেশি বয়সী যে মানুষটি এভারেস্টে উঠেছেন তাঁর নাম ইউচিরু মুইরা,
তার বয়স ছিল মাত্র ৮১ বছর !
সবচেয়ে বেশি বয়সে সাহিত্যে নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন ডরিস লেসিং,
মাত্র ৮৮ বছর বয়সে !

একবার না পারলে হাল ছেড়ে দিয়ে ,
দড়ি দিয়ে ঝুলে পড়ার দরকার নেই।
অপূর্ণ সাধ
দড়ি দিয়ে ঝুলে পড়ার আগে আমাদের আফসোস হওয়া উচিত
– কি কি করিনি ?
কোথায় কোথায় যাইনি ?
এবং কেন যেতে পারিনি ?
পুরী বা বৃন্দাবন গিয়েছি কি ?
স্নো ফল দেখেছি কি ?
আইফেল টাওয়ার দেখেছি কি ?
সমুদ্রের সামনে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় দেখেছি কি ?
সাত-পাঁচ ভেবে হাল ছেড়ে দিলে হবে না।
জীবনটা এ প্লাস, বি প্লাসের নয়।
কারণ সফলতার মার্কশিট বলে কিছু হয় না ।
তাই যদি থাকতো

তাহলে
ড্রপ আউট স্টুডেন্ট বিল গেটস বিশ্বের সবচেয়ে ধনী হতেন না,
মার্ক জুকারবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইস্তফা দেওয়ার দশ বছর পর অনারারি ডক্টরেট ডিগ্রী পেতেন না।
অথবা মৃত্যুর পর ভ্যানগগ পৃথিবীর সবচেয়ে এক্সপেন্সিভ শিল্পী হতেন না।
জীবনের বেঁচে থাকার দিনগুলো সবচেয়ে আনন্দের হয়,
জীবনের সবচেয়ে পরিশ্রম করার দিনগুলিতে মেলে সবচেয়ে বেশী শান্তি ।
অব্যক্ত যন্ত্রনা
জীবনে বারবার হেরে যাওয়ার দিনগুলিতে মেলে অব্যক্ত যন্ত্রনা ।
কতো দিন গেছে একটা অংক না পেরে ১৬ পাতা খরচ হয়েছে,
তবু মেলেনি !
কতো দিন গেছে
একটা ভালো লেখা লিখতে না পারার দুঃখে
পুরো ডায়েরি কুচি কুচি করে ছিঁড়ে নতুন ডায়েরি নিয়ে বসতে হয়েছে !
আসলে জীবনটা রেস নয়, জীবনটা জার্নি !
জীবনের সবচেয়ে আনন্দ থাকে জীবনে । আর ছেড়ে না দেওয়ায় ।
আর যাই হোক জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত লেগে থাকার মজাটাই আলাদা ।
কিন্তু
একবার জীবন শেষ হয়ে গেলে ,সেই আনন্দ আর পাওয়া যাবে কি ?
প্রশ্নটা রাখলাম আপনাদের কাছে !
আপনারাও নিজেকে প্রশ্ন করুন –হাল ছেড়ে দেবার আগে !

এই ধরনের Article আরো পড়ার জন্য এখানে Click করুন । Articleটি ভালো লাগলে. Like ,Comments ও Share করে আমার সঙ্গে থাকবেন। এছাড়াও Business Information ও Business Motivation-এর জন্য আমার facebookpage,
আমার website : sanjaybiswas.com Visit করতে পারেন এবং
আমার দুইটি youtube channel 1. Learn Digitel Earn Momey ও Sanjay Biswas Kolkata-কে অবশ্যই subscribe করে রাখুন ,সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ video সবার আগে পাবার জন্য ।

