ভালবাসা : অনুভূতির রামধনু

ভালবাসার রং ও রূপ
ভালবাসার রং ও রূপ

মায়ার নামই ভালবাসা

পজেসিভনেস বা আগ্রাসী অধিকারবোধ তখনই আসে যখন ভালবাসায় খাঁদ থেকে যায় ।

আমি তো মনে করি কন্ট্রোলিং শব্দটা আমার কাছে গালির মত ।

মানুষ নিজের স্পেস চায় , সে চায় তার প্রিয় মানুষ তাকে বিশ্বাস করতে শিখুক ।

একজন মানুষ তার মন থেকে আপনাকে ভালোবেসে কিংবা রেসপেক্ট করে ,আপনার জন্য অন্য কারো দিকে ফিরেও তাকাবে না –এর চেয়ে সুন্দর সম্পর্ক আর কিছু হতে পারে না ।

যে মানুষকে আয়ত্তে রেখে ভালবাসতে হয় , সে মানুষ আপনাকে ভালবাসেনি কিংবা আপনি তার ভিতরে কোন ভালবাসার অনুভূতি জাগাতে পারেননি । এটা ভালবাসা না বরং বেঁধে রাখা ।

আমার তো এটা সবচেয়ে বেশি ভাললাগে, যে , আপনি যাকে ভালবাসেন,

সেই মেয়েটার ফ্রেন্ড লিষ্টের ১০ জন ছেলে তার প্রেমে পড়ে আছে ।

৫ জন দেখতে আপনার চেয়েও হ্যান্ডসাম ।

আর তিনজন তারজন্য সব সময়ই রেডি ।

আর অন্যদিকে এমন কোন ষ্ট্যাবল ছেলেকে আপনি ভালবাসেন যে প্রচন্ড সুপুরুষ , ক্যারিয়ারিষ্ট এবং জ্ঞানী ।

তার ফ্রেন্ড লিষ্টের সব মেয়েরা হুমরি খেয়ে পড়ে তার সাথে সম্পর্ক করার জন্য । অথচ মানুষটার ধ্যান ধারনা জুড়ে আপনি বাস করেন ।

সে ছেলেটা আপনাকেই কেবল ভালবাসে । এই ভালবাসার চেয়ে সুন্দর কোন সম্পর্ক হতে পারে না ।

কলমে~মাসুমা ইসলাম নদী

সম্পর্কের  শিরা-উপশিরা
সম্পর্কের শিরা-উপশিরা

সম্পর্ক

আছে — একে অপরের প্রতি, শ্রদ্ধাবোধ, যত্নশীলতা, দায়িত্বশীলতা।

সম্পর্কের মানে এই নয়

সবসময় একে অপরকে বুঝতেই হবে।

মাঝে মাঝে ছাড় দিতেও শিখতে হয়।

মূলত সম্পর্কের কদর করাটা ভীষণ জরুরি।

সম্পর্কে একে অপরকে ভালো রাখাটা যেমন মুখ্য বিষয়।

তেমনি মানসিক শান্তির কারণ হওয়াটাও বিশাল ব্যাপার।

প্রতিটি সম্পর্কে কথা ছো’ড়াছুড়ি হয়,অ’ভিযোগের ঝুড়ি নিয়ে বসে যাওয়া হয়। হয়তো ভালবাসার কমতিতে এমনটা ঘটে।

অধিকারের জায়গা থেকে অ’ভিযোগ আসে।

এটুকু না ঘটলে ,অপরদিকের মানুষটা কি করে বুঝতে পারতো , তার জন্য কতটা ভালবাসা আছে প্রিয়জনের মনে ! যে ভালবাসার সামান্য কমতিতেই হু’লুস্থুল কান্ড পর্যন্ত বেঁধে যায়।

একটা সম্পর্ক শুধু সম্পর্কই হয়না।

আর আত্মিক সম্পর্কগুলোতে ভালবাসার গভীরতা সবসময়ই বেশি থাকে।

এই সম্পর্কগুলো গড়ে ওঠে মূলত বিশ্বাসের জায়গা পাকাপোক্ত হলেই।

তাই সম্পর্কের বোঝাপড়া দিন দিন বাড়তে থাকে।

সামান্য ঝড় এই ভালবাসার গল্প থামিয়ে দিতে পারেনা।

যত দিন যায় ভালবাসা তত বৃদ্ধি পায়, কমেনা l

মন খারাপের দিনক্ষণ

মনখারাপ

মনখারাপের আবার কোনো নাম হয় নাকি ?

তারা তো চুপিচুপি এসে নিঃশব্দে মনের কোণ থেকে শুরু করে পুরো মন টাকেই অদ্ভুত ভাবে গ্ৰাস করে ফেলে।

তার জন্য আলাদা করে কোনো সময়ের প্রয়োজন হয় না।

অথচ অদ্ভুত ভাবে দম বন্ধ হয়ে আসে।

মাথা ভর্তি অতিরিক্ত চিন্তা ভর করে বলে “তোর দ্বারা কিছু হবে না,তুই কোনোদিন ভালো থাকতে পারবি না।”

আমরা প্রতি মূহুর্তেই এভাবে লড়াই করে চলেছি,

মনের মধ্যে চলতে থাকা এই নাম না জানা মনখারাপের সাথে।

ঠিক সন্ধ্যা নামার আগে যখন ক্লান্ত সূর্য মামা তার শেষ বিষন্ন আলোটুকু দিয়ে আমাদের বুঝিয়ে দিয়ে যায় সময় শেষে সে আবারো ফিরবে । ঠিক তেমনি প্রতিটা মনখারাপ ও যাওয়ার শেষে অদ্ভুত ভাবে বলে যায় , এখানেই শেষ নয় আমি আবারও ফিরবো।

আচ্ছা , এইসব মনখারাপের কথা শোনার মতো যদি লোক থাকতো ,

তাহলে তাদেরকে সেই কথা বলে কি সত্যি শান্তি পাওয়া যেত !

নাকি তারাও সবটা শুনে শান্তনা দিয়ে বলতো এর নামই জীবন, দুঃখ তো থাকবেই।

সত্যিই কি মানুষ অপরের কষ্ট অনুভব করতে পারে ?

নাকি কেবল নিজের কষ্ট কেই বড়ো করে দেখে ?

আমি বহু মানুষের সাথে মিশে দেখেছি ,তারা কেবল নিজের কষ্ট বলতেই ব্যাস্ত।

কখনো সময় পেলে তাদের কাছে জানতে ইচ্ছে করে তোমরা কি কেবল নিজেদের কষ্ট শোনাতেই ব্যাস্ত ?

কখনো কি ইচ্ছে করে না, যাদের কাছে নিজের কষ্ট বলো , তাদের টাও শোনো...

মানুষ বরাবরই নিজের টা শোনাতে তৈরি,

কখনো কি শেষবেলায় এসে কেউ জিজ্ঞেস করবে না কি হয়েছে ?

এই জন সমাগমের ভিড়ে কোথায় যেন হারিয়ে যায় এই শিশু সুলভ মন।

তারপর ধীরে ধীরে কষ্ট সহ্য করতে করতে যখন পাথর হয়ে যায় ,তখন গিয়ে মানুষের বিদ্রুপ শুনতে হয় , তোর শরীরে কি মায়া বলে কিছুই নেই।

সত্যি এই সমাজ বড়োই অদ্ভুত !

কিন্তু আমরা সবাই এভাবেই একা থাকতে শিখে যায়।

ভিড় ছেড়ে ফাঁকা মাঠে বা নিজের ঘরে থাকতেই পছন্দ করি ?

মনখারাপের দিনে কষ্ট পেয়ে কান্না না করে , বিষন্ন বিকেলে বৃষ্টি চেয়ে বসি।

তারপর জানালার বাইরে বা ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে বাইরে হওয়া বৃষ্টিকে দেখে বলি

সময়ের দাপটে আজ তা এক মিথ্যা হাসিতে পরিনত হয়েছে আর বলতে শিখেছে আমি ভালো আছি”।

কষ্ট করলে কেষ্ট মেলে
কষ্ট করলে কেষ্ট মেলে

কষ্ট

কষ্ট শুরুতে লাগবে না।

যখন দেখবেন, বারবার বোঝাতে গিয়ে আপনি ব্যর্থ হচ্ছেন,

আপনার ব্যথাগুলো দেখেও যখন অপর পাশের মানুষটা নীরব ভূমিকা রাখছে,

দেখেও না দেখার ভান করে যাচ্ছে, কষ্ট ঠিক তখনই লাগবে !

মূলত মানসিক যন্ত্রণার শুরু হয় এখান থেকেই।

একজন সম্পর্ক এবং সম্পর্কের মানুষটার প্রতি অত্যাধিক সিরিয়াস থাকে এবং গুরুত্ব দেয়,

বিনিময়ে

যখন অবহেলা আর অবজ্ঞা পায়, তখন থেকেই সে মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়তে থাকে !

একটা মানুষের মাঝে সীমাবদ্ধ থাকাটা ভীষণ কঠিন । সেই সাথে কষ্টের ও । বেশিরভাগ মানুষই সীমাবদ্ধ থাকতে চায় । কিন্তু বিনিময়ে অবহেলা আর গুরুত্বহীন হয়ে যাওয়া ছাড়া আর কিছু পায় না।

একটা মানুষকে বারবার বোঝাতে গিয়ে যখন ব্যর্থ হতে হয়,

তখন আর বোঝানোর ইচ্ছেটা থাকে না ।

আসলে, নিজেকে কিংবা নিজের যন্ত্রণা তাকেই বোঝাতে হয়, যে আসলে ভালোই বাসেনি।

যে প্রকৃত অর্থে ভালোবাসে, সে বোঝে এবং বোঝার চেষ্টা করে।

মানুষ নিজেকে নিজে বোঝে না বলেই তার সঙ্গীর প্রয়োজন হয়।

কলমে– মোঃ ফাহাদ মিয়া

লেখাগুলো সংগৃহীত ।

ভালো লাগলে সঙ্গে থাকবেন ।

এই লেখাগুলো আমি সংগ্রহ করেছি Tukun Das-এর ফেসবুক পেজ থেকে ।  এত সুন্দর লেখা সংগ্রহ করে পাঠকদের সামনে তুলে ধরার জন্য Tukun Das কে অসংখ্য ধন্যবাদ । আপনি ভালো থাকুন । আপনি সুস্থ থাকুন ।

এই ধরনের আর্টিকেল পাবার জন্য এখানে ক্লিক করতে পারেন ।

ফলো করুন : সাবস্ক্রাইব করুন : দেখতে থাকুন
ফলো করুন : সাবস্ক্রাইব করুন : দেখতে থাকুন –Learn Digital Earn Money এবং Sanjay Biswas Kolkata

 ভালো লাগলে , লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করবেন ।

Leave a Comment