3টি উপদেশ কেন হাজারটা উপদেশও আমাদের জীবনকে এক চুলও পাল্টে দিতে পারবে না । যদি না আমরা মন থেকে সেই উপদেশগুলোকে মেনে নিতে পারি ! আজ পর্যন্ত জীবনে আমরা অনেক অনেক উপদেশ শুনেছি । সেগুলো আমরা এক কান দিয়ে শুনে আর এক কান দিয়ে বের করে দিয়েছি ,কারণ- সেই উপদেশগুলো আমাদের চারপাশের বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন সময় আমাদের কানে ঢুকিয়ে দিয়েছে। সেই উপদেশের সঙ্গে তাদের জীবন এবং কাজ কর্মের কোনই মিল আমরা খুঁজে পাইনি বা দেখতে পাইনি । সেজন্য- তাদের উপদেশ আমাদের কাছে কোন গুরুত্ব-ই পায় নি । কিন্তু আজকে যে মানুষটার উপদেশের কথা বলতে চলেছি সেটা কিন্তু একদম অন্যরকম । যার নাম শোনেনি, এরকম মানুষ আজ সারা পৃথিবীতে একজনও নেই । তিনি হলেন স্বনামধন্য বিল গেটস্ । আর 3টি উপদেশ দিয়েছেন সেই বিল গেটসের মা , স্কুল শিক্ষিকা মেরি ম্যাক্সওয়েল গেটস্ ।যখন বিল গেটসের বয়স মাত্র আট বছর । চলুন,সময় নষ্ট না করে দেখে নেওয়া যাক 3টি উপদেশ । পড়ে ফেলা যাক আর্টিকেলটি….

বিল গেটসের সাফল্যের মূলমন্ত্র মায়ের দেওয়া 3টি উপদেশ:
বিল গেটস তখন বয়সে অনেক ছোট
স্কুল থেকে ঘরে ফিরেছেন সবে।
সেদিন পরীক্ষার ফলাফল দিয়েছে, সেটা মা জানতেন।
তিনি ঘরে পা রাখতেই
সামনে দাঁড়িয়ে মা জিজ্ঞেস করলেন,
“বাবা, গণিত পরীক্ষায় কত নাম্বার পেয়েছো ?”
গেটস মাকে তার নাম্বার বললেন।
মা খুশি হয়ে বললেন,
“বাহ! এত ভাল নাম্বার তোর ক্লাসে আর কয়জন পেয়েছে ?”
গেটস বললেন, “আমি একাই পেয়েছি মা !”
মা বললেন, “বেশ ! বেশ !
আমি অনেক খুশি হয়েছি যে, তুমি একাই এই নাম্বার পেয়েছো।
তুমি দশ-বিশ, চল্লিশ-পঞ্চাশ এমনকি আশি-নব্বই পেলেও আমি রাগ করতাম।
কিন্তু তুমি একদম শূন্য পেয়েছো !”
( বিশ্বাস হয় বিল গেটস গণিতে ০ পেয়েছিল ? )
মা বললেন,
“এবার নতুন করে এই শূন্য থেকেই শুরু করো সবকিছু।
তবে তোমার জন্য মায়ের 3টি উপদেশ রইল-
১. প্রচুর বই পড়বে।
ক্লাসের পড়ার বাইরেও বিশাল একটি জগৎ রয়েছে।
সেগুলো সম্পর্কে বেশি করে জানবে,
বেশি করে পড়বে।
আর নতুন নতুন সব বিষয়ের বই পড়বে,
যেগুলো সচরাচর অন্যরা পড়ে না।
২. তুমি যেরকম চিন্তা করবে,
তোমার জীবন সেভাবেই গড়ে উঠবে।
তাই সবসময় স্রোতের বাইরে চিন্তা করবে।
সবার মতো হুজুগের পেছনে ছুটবে না।
কখনো ছোট চিন্তা করবে না।
অনেক বড় বড় স্বপ্ন দেখবে,
এত বড় যেন নিজের কাছেই অসম্ভব লাগে,
অন্যদের কাছে সে স্বপ্নের কথা বলতে ভয় হয় !
৩. জীবনে এমন কাজ করবে
যা অন্য কেউ করছে না।
বেশিরভাগ মানুষ ঘুরে ফিরে প্রতিষ্ঠিত কিছু পথেই ক্যারিয়ার গড়ে তোলে,
গতানুগতিক পথে-ই জীবনে চলতে চায় । জীবনের সফলতা পেতে চায় ।
কেউ ঝুঁকি নিতে চায় না।
নতুন কিছু করতে চায় না ।
নতুন কিছু করতে ভয় পায় ।
নতুন কিছু করতে গেলে
কিছু মানুষ তাদেরকে পিছন দিকে টানতে থাকে।
ওরা ভীতুর ডিম ।
তুমি সবার চেয়ে ভিন্ন পথে হাঁটবে,
ভিন্ন কাজ করবে।
তুমি নিজেই পথ তৈরি করবে,

মানুষকে স্বপ্ন দেখাবে।”
সময় তখন ১৯৬৩ সাল। বিল গেটসের বয়স তখন আট বছর।
তার মা স্কুল শিক্ষিকা মেরি ম্যাক্সওয়েল গেটস
তাঁকে যখন এই 3টি উপদেশ দিলেন
তখন কেউ চিন্তাও করেনি
এই তিনটি উপদেশ কীভাবে বিল গেটসের জীবনে অক্ষরে অক্ষরে সত্যি হবে একদিন,
বিপ্লব বয়ে আনবে পৃথিবীজুড়ে,
স্রোতের বাইরে গিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখাতে শেখাবে
কোটি কোটি মানুষকে।
এই 3টি উপদেশ বিল গেটসকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অনুপ্রাণিত করেছে। তিনি শুধু প্রযুক্তি জগতেই বিপ্লব আনেননি, বরং নতুন কিছু করার ইচ্ছাশক্তি দিয়ে কোটি মানুষের প্রেরণার উৎস হয়েছেন।
এই সফলতা জলের মতো আসেনি। আজকে বিল গেটসের যে সাফল্য ,সেটা পাওয়ার জন্য ,বিল গেটস্ কে জীবনে বহু চড়াই-উতরাই পার হতে হয়েছে ।তার সফলতার জন্য সকলে তার পথকে ফুল দিয়ে সাজিয়ে দেয়নি । বিলগেটস্ কে পথে নেমে বিভিন্ন রকম বাধা- বিঘ্ন মোকাবিলা করে. তারপরেই হাসিল করতে হয়েছে আজকের এই সফলতা ।

এই আর্টিকেলটি আমি আমার পাঠকদের জন্য সংগ্রহ করেছি ভালোবাসার কথা (Valobasar Kotha) পেজ থেকে। এই আর্টিকেলটি যদি আপনার ভালো লাগে এবং এই ধরনের আরো আর্টিকেল যদি পড়তে চান তাহলে এই লিংকে ক্লিক করে ভালোবাসার কথা পেজ থেকে ঘুরে আসতে পারেন। লেখাটি ভাল লাগলে, অবশ্যই লাইক কমেন্ট এবং শেয়ার করবেন ।
এই ধরনের Article আরো পড়ার জন্য এখানে Click করুন । Articleটি ভালো লাগলে. Like ,Comments ও Share করে আমার সঙ্গে থাকবেন। এছাড়াও Business Information ও Business Motivation-এর জন্য আমার facebookpage,
আমার website : sanjaybiswas.com Visit করতে পারেন এবং
আমার দুইটি youtube channel 1. Learn Digitel Earn Momey ও Sanjay Biswas Kolkata-কে অবশ্যয় subscribe করে রাখুন ,সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ video সবার আগে পাবার জন্য ।

নমস্কার।
