আচার্য হরিনাথ দে :18 শতকের বিস্মৃতপ্রায় বাঙালি ভাষাবিদ ।

ভারতবর্ষের ভাষা চর্চার ইতিহাসে যে নামটি স্বমহিমায় জ্বলজ্বল করেছে তিনি হলেন বহু বহুভাষাবিদ আচার্য হরিনাথ দে I যার ৩৪ বছরের জীবনের প্রতিটি ছত্রে রয়েছে নানা রকম চমকে দেওয়া ঘটনার ঘনঘটা  I

 চৌত্রিশটি বসন্তের পরমায়ু
চৌত্রিশটি বসন্তের পরমায়ু

ইতালি।

ভ্যাটিকান সিটি।

পোপ দশম পিউসের সামনে এক বাঙালি ।

পোপকে চোস্ত লাতিন ভাষায় অভিবাদন জানালেন তিনি । তাঁর চোখা চোখা লাতিন উচ্চারণে স্তম্ভিত পোপ। পরামর্শ দিলেন, এ বার ইতালীয়টাও শিখে ফেললে হয় তো !

পোপকে স্তম্ভিত করে দিয়ে তিনি এরপর তাঁর সঙ্গে সরাসরি ইতালীয়তেই কথা বলতে শুরু করে দিলেন !

তাঁর ল্যাটিন-দক্ষতা চমকে দিয়েছিল লর্ড কার্জনকে।

আরবি ও পার্সি থেকে অনুবাদ করে তিনি সাহেবকে একটি বই উপহার দেন। বইটির উৎসর্গ পত্রটি ছিল ল্যাটিনে লেখা। তাতে এতটাই হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন কার্জন, যে ঢাকায় গিয়ে তিনি ডেকে পাঠান তাঁকে। তিনি তখন ঢাকার এক কলেজের অধ্যাপক।

এই যে অবাক-করা সব কাহিনি,

তার শুরু কিন্তু শিশুকাল থেকেই।

তেমনই এক সময়ের কথা।

তখনও অক্ষরজ্ঞান হয়নি। রায়পুরের বসত বাড়িতে তাঁর মা সব্জি কাটতে কাটতে ছোট্ট ছেলেকে তরকারির খোসা দিয়ে বাংলা বর্ণমালা বানিয়ে দিচ্ছিলেন।

ঘণ্টাখানেক এমন চলার পর দেখা গেল, সেই খোসা আর কাঠকয়লা দিয়ে ঘরময় বাংলা হরফ লিখে ফেলেছে কচি ছেলেটি!

শুরু কিন্তু শিশুকাল থেকেই
শুরু কিন্তু শিশুকাল থেকেই

অল্প একটু বড় হতে, আবারও সেই অবাক-কাহিনি।

যাতায়াত ছিল বাড়ির পাশের এক খ্রিস্টান মিশনে। এক ফাদারের কাছে বাইবেল পড়ত খুদে হরিনাথ। এক দিন ফাদার অবাক বিস্ময়ে আবিষ্কার করলেন, ছেলেটি আস্ত বাইবেল হিন্দিতে অনুবাদ করতে শুরু করেছে!

প্রেসিডেন্সি কলেজ। ভাষাতত্ত্বের ক্লাস চলছে। পড়াচ্ছেন অধ্যাপক এফ জে রো। ভাষা পরিবর্তনের একটি জটিল বিষয় নিয়ে তিনি প্রশ্ন করেছেন। সকলেই অপ্রস্তুত। কী জবাব হবে ভেবে পাচ্ছে না কেউই।

অধ্যাপকের অনুমতি নিয়ে ব্ল্যাক বোর্ডের কাছে চলে গেল সেই ছাত্র । চক দিয়ে খস খস করে লিখে ফেলল উত্তর। বুকে জড়িয়ে ধরলেন অধ্যাপক রো। সে দিন থেকে তিনি ছাত্রকে রোমের বিখ্যাত দার্শনিক ও গদ্যকারের নামে ‘উপাধি’ দিলেন ‘সিসেরো’!

মাত্র চৌত্রিশটি বসন্তের পরমায়ু। নাতিদীর্ঘ সেই জীবনে পান্ডিত্য অর্জন দেশী বিদেশী মিলিয়ে চৌত্রিশটি ভাষায়। তিনি বিস্মৃতপ্রায় বাঙালি ভাষাবিদ হরিনাথ দ

উত্তর ২৪ পরগনা জেলার কামারহাটি আরিয়াদাহ গ্রামে ১৮৭৭ সালের ১২ ই আগস্ট হরিনাথ দে জন্মগ্রহণ করেন । তার পিতা ভোলানাথ দে বর্তমান ছত্রিশগড় রাজ্যের রায়পুর সেন্ট্রালের ব্রিটিশ শাসনাধীন ভারতের একজন পদস্ত অফিসার ছিলেন । রায়পুরে যে বাড়িতে শৈশবে হরিনাথ দে বসবাস করতেন সেই বাড়িতে ১৮৭৭ সাল থেকে ১৮৭৯ সাল পর্যন্ত তরুণ নরেন্দ্রনাথ দত্ত অর্থাৎ বিবেকানন্দ বসবাস করতেন ।

তিনি তার প্রাথমিক পড়াশোনা রায়পুর হাই স্কুলে শেষ করে কলকাতা যাত্রা করেন পরবর্তী পড়াশোনার জন্য। । কলকাতায় এসে সেন্ট জেভিয়ার স্কুল ও কলেজে পড়েন এবং স্কুলের পাঠ শেষ করে প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হন ।

১৮৯৩ সালে হরিনাথ প্রেসিডেন্সির ছাত্র হিসেবেই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ল্যাটিন ও ইংরেজি ভাষায় প্রথম বিভাগে সাম্মানিক স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন এবং ওই বছরেই তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ল্যাটিন ভাষায় প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করে সরকারি বৃত্তি লাভ করেন ।
তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনে যে কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন ইতিহাসে তার তুলনা নেই।

এরপর তিনি ইংল্যান্ড যান কেম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য । সেখানে ক্রাইস্ট কলেজে ভর্তি হন । ক্যামব্রিজে পড়ার সময় হরিনাথ গ্রীক ভাষায় এমএ তে প্রথম বিভাগে প্রথম হলেন প্রাইভেট পরীক্ষার্থী হিসাবে । এরপর হরিনাথ প্যারিস যান এবং সেখানকার সরবোন বিশ্ববিদ্যালয়ে আরবি ভাষা শেখেন । আরবি ভাষা শেখা শেষ করে হরিনাথ জার্মানির মারমুরগো বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষালাভের জন্য যান এবং এখান থেকে তিনি সংস্কৃত, তুলনামূলক ব্যাকরণ এবং আধুনিক ভাষা শিক্ষাদান পদ্ধতি সম্পর্কে বিশদ জ্ঞান অর্জন করেন ।

১৯০০ সাল নাগাদ তিনি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত ক্লাসিক্যাল ট্রাইপস্ পরীক্ষায় প্রথম ভাগ দিলেন এবং এই পরীক্ষাতেও প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হলেন । পরের বছরই তিনি মধ্যযুগীয় আধুনিক ভাষায় ট্রাইপস্ পরীক্ষায় ডিগ্রী অর্জন করলেন । কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হরিনাথ দে গ্রীক,হিব্রু ও ল্যাটিন ভাষা শিক্ষা লাভ করে যে নজীরবিহীন প্রতিভার সাক্ষর রাখেন,সেটা আজও আমাদের গর্বিত করে ।

১৯০১ সালের শেষ দিকে হরিনাথ দেশে ফিরে এলে তাকে ঢাকা সরকারি কলেজের ইংরেজির অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। তিনি ব্রিটিশ শাসকের শিক্ষা বিভাগে উচ্চ পদে নিযুক্ত প্রথম ভারতীয় । প্রেসিডেন্সি কলেজ ইংরেজির অধ্যাপক রূপে ও কলকাতা তাকে পেয়েছিল কিছুকালের জন্য ।

অধ্যাপনাকালে পরীক্ষার্থী হয়েছিলেন এবং কৃতিত্বের সঙ্গে পাশ করে পাঁচ হাজার টাকা বৃদ্ধি ও পেয়েছিলেন সেই সময় । ১৯০৬ সালে প্রাইভেট পরীক্ষার্থী হয়ে হরিনাথ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পালি ভাষায় প্রথম বিভাগের প্রথম হয়ে M.A পাস করে করেন ।

১৯০৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষাবিজ্ঞানের প্রথম অধ্যাপক উনি । ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরী অধুনা ন্যাশনাল লাইব্রেরীতে দায়িত্বপূর্ণ কাজ করার সময়ও হরিনাথ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংস্কৃত ভাষার দুটি বিভাগে এম এ পরীক্ষা দেন এবং এখানেও দুটিতেই প্রথম বিভাগে প্রথম হন । তিনি ন্যাশনাল লাইব্রেরী অফ ইন্ডিয়ার প্রথম ভারতীয় গ্রন্থাগারিক ছিলেন ১৪ টি ভাষায় M.A ছিল তার । 

হরিনাথ দে ভারতে ভাষাবিজ্ঞানের পথিকৃৎ ছিলেন । কেবল লিখতে পড়তে বা বলার ক্ষমতা নয় মাতৃভাষার মত প্রতিটি ভাষায় সুগভীর পাণ্ডিত্য অর্জন করেছিলেন তিনি ।1902 সালে “ম্যাকুলেস এসে অন মিল্টন” বইটির নব রূপায়ণ করে সম্পাদনা ও প্রকাশনা দুটিই করেন । এরপর তার গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনী, জালালউদ্দিন আবু জাফর মোহাম্মদের গ্রন্থ “আল ফকিরীয় ইংরেজিতে অনুবাদ করে প্রকাশ করেন ।

হরিনাথ দে বহু বিখ্যাত গ্রন্থের টিকাকরণ অনুবাদের কাজ সম্পন্ন করেছেন । বৌদ্ধ ধর্ম সংক্রান্ত “লংকাবতার সূত্র ও নির্মাণ ব্যাখ্যাশাস্ত্রম” সম্পাদনা করে তিনি প্রকাশ করেছিলেন । বহু আরবি ,ফারসি, পার্শিয়ান ,পালি ও বাংলা গ্রন্থের পূর্ণ বা আংশিক অনুবাদ করে প্রকাশ করেছিলেন । কয়েকটি সংস্কৃত নাটকের ও ইংরেজি অনুবাদ করেন । যার মধ্যে অন্যতম মহাকবি কালিদাস রচিত,” অভিজ্ঞানম্ শকুন্তলম্” তার জীবদ্দশায় রচিত ,নানা ঘটনা নিয়ে হরিনাথ ডিটেলস্ কালেকশন। ৮৮টি খন্ডে বিভক্ত । যেখানে রয়েছে সাহিত্য, ভাষাতত্ত্ব এবং হিন্দু ধর্ম নিয়ে তার লেখা অমূল্য গবেষণা । যেটা কলকাতার ন্যাশনাল লাইবেরি অফ ইন্ডিয়া তে ,তার নামে একটি পৃথক সংগ্রহ বিভাগ তৈরি করে , সংরক্ষিত হয়েছে ,এই অতি মূল্যবান সম্পদ ।

হরিনাথের বহু লেখা বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয় । তার কিছু সংখ্যক ১৯৭২ সালে সংকলিত ও সম্পাদনা করে সুনীল বন্দোপাধ্যায় কলকাতা সংস্কৃত পুস্তক ভান্ডার থেকে প্রকাশ করেন । যে গ্রন্থটির নামকরণ করা হয়েছে ” সিলেক্ট পেপারস্ মেনলি আইডিওলজিক্যাল ” এটিও কলকাতার ন্যাশনাল লাইব্রেরী অফ ইন্ডিয়াতে সংরক্ষিত। 

 বাংলা ভাষায় তার পাণ্ডিত্য এবং কৃতিত্ব, বিশ্বের জ্ঞান ভাণ্ডারকে, বিশেষ করে – ভাষা বিজ্ঞানের ভারতীয় পথিকৃৎ হিসেবে তার কার্যকলাপ অভূতপূর্ব সমৃদ্ধি দিতে পেরেছে । হরিনাথের ভাষার প্রতি ভালোবাসা , কেবল তার সেই ভাষা সম্পর্কে নিজের পাণ্ডিত্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না ,অন্য ভাষা-ভাষীর মানুষ ও যাতে তার আপন মাতৃভাষার স্বাদ থেকে বঞ্চিত না হয় ,সেদিকেও লক্ষ্য থাকতো তার  ।

হরিনাথ দে ছিলেন একজন বহু ভাষাবিদ বাঙালি পণ্ডিত । তিনি এশিয়া এবং ইউরোপের বহু সংখ্যক ভাষায় পারদর্শিতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন । বয়স ত্রিশ পূর্ণ হওয়ার আগেই তিনি পৃথিবীর ৩৪ টি ভাষা আয়ত্তে আনতে সক্ষম হয়েছিলেন ।হরিনাথ দে ভারতের ভাষাবিজ্ঞানের পথিকৃৎ ছিলেন । তিনি ব্রিটিশ শাসকের শিক্ষা বিভাগে নিযুক্ত প্রথম ভারতীয় । জীবিকাসূত্রে তিনি কলকাতা ইম্পিরিয়াল লাইব্রেরির (বর্তমানে ভারতের জাতীয় গ্রন্থাগার) / ন্যাশনাল লাইব্রেরী অফ ইন্ডিয়ার প্রথম ভারতীয় গ্রন্থাগারিক ছিলেন এবং ঢাকা কলেজে ইংরেজি ভাষার অধ্যাপকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

ভাষা বিজ্ঞানের ভারতীয় পথিকৃৎ
ভাষা বিজ্ঞানের ভারতীয় পথিকৃৎ

কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের ভাষায় ,হরিনাথ দে ছিলেন এক চলমান গ্রন্থাগার ।

তাঁর মৃত্যুর পর , শ্মশানের চিতায় তাঁর পুড়ে যাওয়া দেখে কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের মনে হয়েছিল,

একটি বিশাল গ্রন্থশালা যেন লেলিহান আগুনে পুড়ে যাচ্ছে।

প্রাচীন বিশ্বের সমৃদ্ধতম আলেকজেন্দ্রিয়ার সুবিসাল গ্রন্থাগার, চেঙ্গিস খাঁর আক্রমণে বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছিল, ধ্বংস হয়েছিল, বাগদাদের সেকেন্দ্রিয়ার গ্রন্থাগার । ইতিহাসের সেই মর্মান্তিক অনুষঙ্গ উঠে এসেছিল তার স্মৃতিপট । সেদিন বাংলার কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত পরম শ্রদ্ধায় উচ্চারণ করেছিলেন,

তিনি লিখেছিলেন……

“যাচ্ছে পুড়ে দেশের গর্ব,

শ্মশান শুধুই হচ্ছে আলা ।

যাচ্ছে পুড়ে নতুন করে

সেকেন্দ্রিয়ার গ্রন্থমালা’ …

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের জগতে হরিনাথ দে”র অবদান মনে যতটা বিস্ময়ের উদ্বেগ করে ,ততোধিক বিস্ময় লাগে এই মানুষটা সম্পর্কে এ যাবৎ অতি নগণ্য আলোচনা ও কাজের পরিমাণ দেখলে । এই কথা হলফ করে বলা যায়, খুব কম মানুষই বাংলার এই ক্ষণ জন্মা ,বিস্ময় প্রতিভার সম্পর্কে অবহিত। মাত্র ৩৪ বছর বেঁচে ছিলেন এই বিস্ময় পুরুষ । আর সেই স্বল্পায়ু জীবৎ কালেই তিনি রেখে গেছেন এক অমর কীর্তি । যা বাঙালী হিসেবে আজও আমাদের পরম গৌরবের বিষয় । 

যাচ্ছে পুড়ে দেশের গর্ব,
যাচ্ছে পুড়ে দেশের গর্ব,

ভাষাশিক্ষার টানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত তো বটেই, পাড়ি দিয়েছেন সুদুর ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি এমনকি মিশরেও। ভাষা শিক্ষার পাশাপাশি অসীম আগ্রহ ছিল দুষ্প্রাপ্য পুঁথি সংগ্রহ এবং সংরক্ষণেও। কঠোর পরিশ্রমে সংগ্রহ করেছিলেন

  • কালিদাসের ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’ – এর প্রাচীনতম পুঁথি,
  • দারা শিকোর করা বেদের পার্সি অনুবাদের পুঁথি,
  • বৈরাম খাঁ’র স্বহস্তে লেখা পার্সি এবং তুর্কি ভাষার পান্ডুলিপি,
  • ওয়ারেন হেস্টিংসের লেখা দুষ্প্রাপ্য চিঠিপত্রও।

জানা গেছে উনিশশো এগারোয় হরিনাথ যখন অকাল প্রয়াত হন তাঁর সংগ্রহে ছিল প্রায় সাত হাজার পুঁথি এবং মুদ্রিত বই |

এই প্রবাদপ্রতীম বহু ভাষাবিদ কেবলমাত্র বাংলা বা ভারতের সীমানায় তাঁর খ্যাতি নিয়ে সীমাবদ্ধ ছিলেন না। বিশ্ব জোড়া ভাষার বিস্তৃত পরিসরে ও বিশ্ববাসীর নিকট অভূতপূর্ব ভাষাজ্ঞানী, বহুভাষাবেত্তা এবং অপার পাণ্ডিত্য নিয়ে সম্মানের আসন লাভ করেছিলেন। এই ধরনের লেখা এই ধরনের আর্টিকেল আরো পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন I

বিশ্ববাসীর নিকট অভূতপূর্ব
বিশ্ববাসীর নিকট অভূতপূর্ব

( সংগৃহীত )

❤️ পোস্ট ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট শেয়ার করতে ভুলবেন না। sanjaybiswas.com এই ধরণের আরো Article আপনাদের সামনে তুলে ধরবে ।

নিত্য নতুন আপডেট সর্বপ্রথম পাওয়ার জন্য sanjaybiswas.com ওয়েবসাইট-এ নজর রাখুন। আপনার মূল্যবান মতামত জানাতে ভুলবেন না । পাশে থাকবেন ।

Leave a Comment