যুগে যুগে নারী ও পুরুষ কে নিয়ে গড়ে উঠেছে নানা ধরণের মিথ I নারী দোষারোপ করেছে পুরুষকে তাকে ব্যবহার করার জন্য I অপরপক্ষে পুরুষও নানা সময় নারীকেই দোষারোপ করেছে তাদেরকে বিপথে চালিত করার জন্য I নারীদের কে প্রতি পদে পদে পুরুষদের দ্বারা ব্যবহৃত হতে হয়েছে এই article-এ সেই বিষয়টাই জোরদার হয়েছে I

একজন নারীর প্রতি বিন্দুমাত্র আবেগ-অনুভূতি ছাড়াও পুরুষ তার সাথে সে’ক্স করতে পারে।
কিন্তু, একজন পুরুষের প্রতি যথেষ্ট অনুভূতি তৈরি না-হলে নারী সেই পুরুষটির সাথে সে’ক্স করে না।
অধিকাংশ পুরুষেরই সে’ক্স করার জন্য অজুহাতের দরকার ।
কিন্তু অধিকাংশ নারীরই সে’ক্স করার জন্য কারণের দরকার। ভালবাসার দরকার I
কোনো নারীর সাথে শুধুমাত্র একটিবার সে’ক্স করার জন্য পুরুষ দীর্ঘ সময় ব্যয় করে বহুদূর পর্যন্ত চলে যেতে পারে।
সে’ক্সের সময় পুরুষ এমন ভাব করে, যেন সে নারীটিকে ভালোবেসে সে’ক্স করছে I
অথচ সত্য হলো— সে নারীটির শারীরিক ভাঁজ, ত্বকের লাবণ্য, নিতম্ব-স্তনের স্ফীতি, অন্যান্য সৌন্দর্য,
এসবের লালসায় মত্ত হয়ে সর্বোচ্চ মিনিট পাঁচেকের জন্য সে’ক্স করছে ; এবং বীর্যস্খলনের পর নারীটিকে ভুলেই গেছে।
পরবর্তী সময়ে সেই নারীর কথা পুরুষের আর সেভাবে মনেই পড়ে না I সে অবলীলায় ভুলে যায়, তার জীবনের কিছুক্ষণের সঙ্গী টিকে I যে মানুষটা নিজেকে উজাড় করে বিলিয়ে দিল I
যে মানুষটা এক নিমেষে ভুলে গেল নিজের অস্তিত্বকে I নিজের অস্তিত্বকে পুরুষের হাতে বিলিয়ে দিয়েই যেন তার পরম শান্তি I কিন্তু পুরুষ মানুষ..
যে, দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে এসেছিল ,
অনেককিছু স্যাক্রিফাইস করেছিল,
সাথে উপহার এনেছিল ,
হোটেল-খাবারদাবার ও অন্যান্য খরচ-খরচা করা দেখে ,মনে হতেই পারে— এসব প্রেমেরই বহিঃপ্রকাশ।
প্রকৃতপক্ষে— এই সবকিছুর একটাই লক্ষ্য,সেটা হল সে’ক্স । নারীকে উপভোগ করা । কিছুক্ষণ সময় কাটাননো ।
মেয়েরা এখানেই বোকামিটা করে ফেলে —
অধিকাংশ নারীই এইসব আচরণ ও নাটককেই ভালোবাসা ভেবে নেয় I
লাফ দিয়ে ঝুলে পড়ে পুরুষের গলায়।একেবারে বরমাল্য হয়ে ।
ঠিক এই কারণেই,সহজ-সরল , নারীদেরকে নামীদামী উপহার ও অন্যান্য বিলাসিতা দিয়ে অন্ধ করে রাখে চতুর পুরুষেরা।

এভাবে নিজেকে হারিয়ে ফেলার পরেও নারীরা উক্তি ফলায়— টাকা দিয়ে মানুষকে কেনা যায় না ।
ভালোবাসার মানুষকে আগলে রাখতে হয় ।
সে’ক্স কমিটমেন্ট নয়I
একারণেই অধিকাংশ নারী ও পুরুষ পাশে পার্টনার রেখেই পরবর্তী জনের সাথে সে’ক্সের পরিকল্পনা করতে থাকে।
পুরুষ সে’ক্সের বশ।
সে’ক্স করার জন্য হেন কিছু নেই ,যেটা পুরুষ করতে পারে না !
রাজ্য জয় থেকে রাজত্ব ক্ষয়,
সম্মান খোয়ানো থেকে পরিবার হারানো,
সবই করে পুরুষ শুধুমাত্র সে’ক্সের জন্য উন্মত্ত হয়ে যাওয়ার কারণে।

এইসব ভয়ানক কর্মকাণ্ডকে নারী ধরে নেয়— তাকে পাওয়ার জন্য বিপ্লবী নায়ক হয়ে গেছে পুরুষ।
প্রেম ! প্রেম ! আহ্ !
অথচ, সে’ক্স ও প্রেম কখনোই একই পৃষ্ঠায় থাকে না, এমনকি ডিকশনারিতেও না।
একই সাথে একাধিক নারীর সাথে ভিন্ন-ভিন্ন স্বাদের সে’ক্স চালিয়ে যাওয়ার জন্য পুরুষ কী না করে !
সোনার খনি ছেড়ে সে খুঁড়তে শুরু করে নিজেরই কবর।
আর নারী ?
সে স্রেফ ইচ্ছে করলেই, সে’ক্সকে হাতিয়ার বানিয়ে নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারে একের-পর-এক সম্ভাবনাময় পুরুষকে।
কখনো কখনো নারী যে এটা একেবারেই করে না ,তা কিন্তু নয় ।সেটা কদাচিৎ !
আসলে মেয়েরা হল– ভালোবাসার কাঙাল।
বহুজনকে দেহ দিয়েও একজন নারী একজন পুরুষকে হৃদয়ের দেবতা বানিয়ে রাখে।
অন্যদিকে, পুরুষ নারীদেহের পূজারী।
ভালোবাসা না-পেলেও পুরুষের হাহাকার থাকে না I বড়োজোর একটি কবিতা লিখে বিরহী হবার ভান করে মাত্র।
কিন্তু, ভালোবাসা পাওয়ার আশায় একজন নারী একটি বাক্য না-লিখেও ,হয়ে যেতে পারে একজন বিরহিনী-মহাকবি।

এই আর্টিকেলে যে বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে , আপনি কি তার সাথে একমত ? যদি একমত না হন তাহলে কেন একমত নন সেটাও আপনি জানাতে পারেন I এই বক্তব্যটা লেখকের একদম নিজস্ব I তার সঙ্গে আমাদের মতের মিল হতেও পারে নাও হতে পারে I
তবে যেকোনো রচনার মধ্যেই থাকে কিছু না কিছু সারবত্তা I বুদ্ধিমান মানুষ খুব সহজেই বুঝে যান লেখক কি বলতে চেয়েছেন I আর লেখক এর সঙ্গে যদি আমরা একমত হয়ে যায়, সেখানেই সেই লেখা এবং লেখকের সার্থকতা I
এই ধরনের লেখা আরো পাবার জন্য এখানে ক্লিক করুন I
এই আর্টিকেলটি আমার লেখা নয় I এই আর্টিকেলটি আমি সংগ্রহ করেছি রিয়া দাসগুপ্তের ফেসবুক পেজ থেকে I একান্তভাবেই আমার পাঠকদের জন্য । আপনারা চাইলে সেখানে গিয়েও লেখাটি পড়ে নিতে পারেন I
