Businessকরুন নিজের Skillকে কাজে লাগিয়ে ।Unlimited Income-এর 6টি Model এখানে আলোচনা করা হলো, এর যে কোন একটি আপনার জীবনকে নিশ্চিতভাবে বদলে দেবে I

সময় যত গড়াচ্ছে, সময়ের সাথে সাথে কর্মসংস্থানের গতি ও ধারাও পরিবর্তিত হচ্ছেI মানুষ তাদের প্রয়োজন ও চাহিদার নিরিখে বিভিন্ন ধরনের নতুন কর্মসংস্থানের জগতে পা রাখছেন। এবং কাজও করছেন দাপিয়ে।
একটা সময় ছিল যখন পরিবারের বড়রা কর্মসংস্থান বা উপার্জনের জন্য সবসময় চাকরিকেই প্রাধান্য দিতো। কিন্তু বর্তমানে অনেক অভিভাবক বাস্তবতাকে স্বীকার করে নিয়ে, নতুন প্রজন্মকে Business করার জন্য উৎসাহিত করছেন। এটা কিন্তু নতুন প্রজন্মের কাছে বিশেষ আশীর্বাদ। কারণ আমরা যে কাজই করি না কেন, সেই কাজে সফলতার পাশাপাশি বিফলতাও আছে I বিফলতার সময় আমরা স্বাভাবিকভাবেই ভেঙে পড়ি ,সেইসময় যদি আমরা পরিবারের মানুষকে পাশে পাই, তাহলে কাজটা অনেক সহজ হয়ে যায় ।
এমনও দেখা গেছে কোন একজন যুবক, চাকরির পরিবর্তে Business করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করাতে, তাকে বাড়ি থেকে বিতাড়িত পর্যন্ত হতে হয়েছে।
কিন্তু নতুন প্রজন্ম সেই তুলনায় ভীষণ ভাগ্যবান। তারা অনেকেই পরিবারের সাপোর্ট পাচ্ছে।
পরিবারের সাহায্য বা সহযোগীতা পাওয়া তো গেল। এবার যেটা পড়ে থাকলো, সেটা হলো কোন ধরনের Business শুরু করব ?
এটা একটা লাখ টাকার প্রশ্ন !!!
আমরা যদি খুব ভালোভাবে লক্ষ্য করি তাহলে দুই ধরনের Business Model আমাদের সামনে চলে আসবে ।
1.Hardwork Business
2. Smart work Business.
Hard work Business এর ক্ষেত্রে পরিশ্রমের মাত্রা থাকে অতিরিক্ত ।
আর এক ধরনের বিজনেস মডেল বর্তমানে খুব আকর্ষণীয়ভাবে মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা লাভ করেছে, বিশেষত করোনা পরবর্তী সময়েই এই ধরনের বিজনেসের প্রচার ও প্রসার, সেটি হল Smart work Business.–
যেগুলো ঘরে বসেই আমরা করতে পারি । এই কাজে শারীরিক পরিশ্রম খুবই কম । ঘরের বাইরে না বেরোলেও চলে । এখানে বিশেষ কোনো Skillকে ভিত্তি করে Brain work করতে হয় । অর্থাৎ ব্রেনের কাজই বেশি। এগুলি মূলত কম্পিউটার ও অনলাইন নির্ভর Business
যে সমস্ত মানুষ ঘরে থেকে ইনকাম করতে চাইছেন, তাদের জন্য রইল এই রকম ছয়টি বিজনেসের সুলক সন্ধান।
এই বিজনেসগুলি Grow up করতে বা Income করার জন্য প্রয়োজন উক্ত বিষয়ের Skill । এই Business গুলোর Success of key হলো Skill ।
আপনার মধ্যে কোন্ ধরনের Skill আছে ? কোন্ Skill কে কাজে লাগিয়ে আপনিও করতে পারেন Unlimited Income !!
যদি আমার এই Contentটি ভালো লাগে, তাহলে যারা এই ধরনের কাজকরে Income করতে চাইছে, তাদের সঙ্গে শেয়ার করুন I সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ I আপনি ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন I
চলুন একটি একটি করে Business Model গুলো দেখে নেওয়া যাক ……….

1. Facebook ads
Facebook-এর নাম শোনেনি, এরকম মানুষ বোধ হয় হাতে গুণলেও পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ ! সেটাকে মূলধন করেই আজ Facebook Ads একটি জনপ্রিয় প্রচার মাধ্যম।
সাইনবোর্ড, ব্যানার, পোস্টার, ফ্লেক্স– ইত্যাদির মাধ্যমে প্রচার আজ ব্যাকডেটেড । আজ আর কেউ তেমনভাবে প্রচারের জন্য উপরোক্ত মাধ্যম গুলোর সাহায্য তেমন ভাবে নিচ্ছে না – তার বদলে সাহায্য নিচ্ছে Facebook বা এই ধরনের কোন না কোন Social Networking Platform-এর ।
এই Social Networking Platformটি খুবই দ্রুত দেশ ছেড়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। সঙ্গে জনপ্রিয় হয়েছে আশাতীত। সেই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে খুব সহজে মানুষ নিজের Brand, Business, Product, Service এবং Content ছড়িয়ে দিচ্ছে বিশ্বব্যাপী। আর মানুষ সেটা লুফে নিচ্ছে সাগ্রহে, কেননা Facebook-এর সঙ্গে জুড়ে রয়েছে বিভিন্ন বয়সের, বিভিন্ন রুচির, বিভিন্ন মেধার ,বিভিন্ন অর্থনৈতিক অবস্থার সঙ্গে জুড়ে থাকা মানুষজন।
সেজন্য আপনি যদি Facebook Ads-এর মাধ্যমে নিজের product, বা Service Marketing করতে পারেন– তাহলেও প্রচুর Income হতে পারে ।
আবার প্রচুর মানুষ বা কোম্পানি রয়েছে, যারা ফেসবুকের মাধ্যমে মার্কেটিং করতে চান । কিন্তু বিষয়টা সেভাবে বোঝেন না বা জানেন না। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের টেকনিক্যাল খুঁটিনাটিও অনেক Businessman- এর সেভাবে বোধগম্য হয় না বা সেই বিষয়টা নিয়ে সেভাবে মাথাও ঘামাতে চান না তারা। সেই কারণে তারা তাদের জন্য ,কোন বিশ্বস্ত মানুষকে খোঁজ করে থাকেন বা কোন ভালো এজেন্সিতে দায়িত্ব দিয়ে থাকেন।
এই Facebook Ads বিষয়টি ভালোভাবে শিখে নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে বা এজেন্সি খুলে এই বিজনেসও আপনি শুরু করে দিতে পারেন ।যদি বর্তমানে আপনার মধ্যে এই Skill-টি না থাকে তাহলে এগুলি শেখানোর জন্যেও অনেক ইনস্টিটিউট রয়েছে ।
একটু ভালোভাবে খোঁজখবর নিয়ে সেখান থেকেও বিষয়টি ভালোভাবে শিখে নিতে পারেন । যেটা শিখে নিতে দু তিন মাসের বেশি কোনোভাবেই সময় লাগবে না । আর এই Facebook Ads বিষয়ে বিশদ জানার জন্য ইউটিউবে বিভিন্ন ভিডিও রয়েছে আপনি দেখে নিতে পারেন ।
প্রথমে দেখে নিন, এই ধরনের বিষয় আপনার ভালো লাগে কিনা ? তারপর দেখুন এই Skill-টা অর্জন করার জন্য যে ধরনের মেন্টাল প্রিপারেশন লাগে সেটা আপনার আছে কিনা ? এগুলি যদি থাকে তাহলে আপনি যে কোন প্রতিষ্ঠানে থেকে এই ধরনের Skill শিখে নিতে পারেন I
তবে টাকা-পয়সা দেওয়ার আগে, ভালোভাবে যাচাই করে নেবেন I চারিদিকে কিন্তু বর্তমানে মানুষ ঠকানোর জন্য অনেক Mentor ও ইনস্টিটিউট গজিয়ে উঠেছে I টাকা আপনার, অতএব সঠিক প্রতিষ্ঠান খুঁজে বের করার দায়িত্বও আপনার I চোখ বুজে বা কারোর কথা শুনে বিশ্বাস করে পুরো টাকা দিয়ে ফেলবেন নাI প্রয়োজনে ডেমো ক্লাস অ্যাটেন্ড করে দেখে নিন ।দেখুন আপনার ভালো লাগছে কিনা ?

তারপর মন-প্রাণ দিয়ে Skill অর্জন করার চেষ্টা করুন I
2.Social Media Marketing Agency :
ফেসবুকের মতোই আরো কতগুলো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম রয়েছে I যেমন- instagram, twitter linkin -এগুলো ও অনলাইন প্রমোশন বা ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেI
বিভিন্ন Company ও Brand তাদের Product বা সার্ভিসেরService-এরPromotiom বা Add- এর জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং কেই বেছে নিচ্ছে।
সেক্ষেত্রে আপনি যদি উক্ত প্ল্যাটফর্ম গুলিকে কাজে লাগাতে পারেন তাহলে আপনাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না ।
আপনার একার দ্বারা কাজটি সম্ভব না হলে, কয়েকজন বন্ধু-বান্ধব যাদের মধ্যে skill আছে, সকলে মিলে এজেন্সি খুলে দুর্দান্তভাবে ডিজিটাল মার্কেটিংও করতে পারে I
বর্তমান সময়ে যতগুলো অনলাইন প্রমোশনাল প্ল্যাটফর্ম বিশেষভাবে গ্রূপ করেছে তাদের মধ্যে ডিজিটাল মার্কেটিং অন্যতম I
বর্তমান সময়ে ,আপনি যদি ডিজিটাল মার্কেটিং কে সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন প্লাটফর্মে কাজে লাগিয়ে নিজের বিজনেস বা অন্যের বিজনেস কে সাহায্য করে করতে পারেন, তাহলে কিন্তু আপনাকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হবে নাI
তবে মনে রাখবেন, আপনার মধ্যে যদি কোন একটি বিষয়েও Skill থাকে, তাহলেই আর কিছু Skillfull বন্ধুদের সাহায্য নিয়ে এজেন্সি খুলুন I নিজের মধ্যে যদি কোন skill না থাকে তাহলে কিন্তু আপনার বিজনেস এগোতে অনেক অসুবিধা হবে ।

3.Web Designing
যেহেতু Online Business- এর রমরমা এখন । সেজন্য সবাই চাইছে তাদের product বা Service যেন খুব তাড়াতাড়ি মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে ।
আর Online Business করতে হলে বা Online Marketing ঠিকঠাক করতে হলে সবার প্রথমে যেটা প্রয়োজন ,সেটা হলো একটা Website. আর একজন সাধারণ বিজনেসম্যান এর পক্ষে নিজে এই ধরনের একটা website বানানো বেশ কঠিন । সেজন্য একজন Expart Developer বা webDesigner-এর প্রয়োজন । যে সঠিক দামে সুন্দর একটা website বানিয়ে দিতে পারবে I
সত্যি কথা এটা যে, Website-এর চাহিদা আকাশচুম্বি হলেও দক্ষ বা ভালো Webdesigner-এর ভীষণ অভাব রয়েছে ডিজিটাল মার্কেটিং ফিল্ডে । বেশিরভাগই হল টুকটাক কাজ জানা ডেভেলপার। এই টুকটাক কাজ জানা অদক্ষ ওয়েব ডিজাইনার কখনই কখন কোন কোম্পানি বা ব্রান্ডের একটা ecommerce Website বা Portfolio Website সঠিকভাবে বা নিখুঁতভাবে বানিয়ে দিতে পারবে না । সেজন্য প্রয়োজন হল একজন দক্ষ ওয়েব ডিজাইনের ।
আপনি যদি Website Development-এর বিষয়ে সত্যিই দক্ষ হন বা ওই ধরনের কোন Skill আপনার মধ্যে থাকে , তাহলে আপনি কাজ করে শেষ করতে পারবেন না ।
সেজন্য ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট বা ওয়েব ডিজাইনিং হয়ে উঠতে পারে বর্তমান সময়ের একটা লাভজনক ব্যবসা ।

4.E Commerce বা Online Business
বর্তমান সময়ে যতগুলি business ফুলে-ফেঁপে উঠেছে ,তার মধ্যে Online Business অন্যতম । করোনা মহামারীতে যখন হাজার হাজার দোকান বা ব্যবসা বন্ধ হয়েছে ,তখন Online Business -এর গ্রোথ হয়েছে ১০০% থেকে ২০০% ।
এই Online Business -এর ভবিষ্যৎ ও বেশ উজ্জ্বল ! সে ক্ষেত্রে আপনি একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানিয়ে বিশেষ কোনো প্রোডাক্ট বাছাই করে বিক্রি করতে পারেন । একটি ওয়েবসাইট বানাতে খরচ হতে পারে পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকা ।আর সামান্য একটু মোবাইল বা কম্পিউটার চালানো জানতে হবে
শুরু করে দিতে পারবেন আপনার Ecommerce Business ব Online business .
এই ব্যবসাতে খুব তাড়াতাড়ি লাভের মুখও দেখতে পারেন । আশ্চর্যের, বিষয় স্কুল কলেজের ছেলে-মেয়ে বা অনেক গৃহবধূ এই ব্যবসা ভীষণ সাফল্যের সঙ্গে করে চলেছেন i
আপনিও চাইলে খুব অল্প বিনিয়োগে এই Ecommerce Business ব Online business চালু করে দিতে পারেন ।

5.Blogging
Blogging বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ট্রেন্ডিং অনলাইন প্রফেশন । যেটার প্রতি মানুষের আগ্রহ ও কৌতুহল দিন দিন বাড়ছে। যারা ঘরে বসে অনলাইন কাজকর্ম করে প্রচুর ইনকাম করতে চাইছেন, তাদের জন্য Blogging হলো আদর্শ। Blogging আজ শুধু ভারত বর্ষ নয়, সারা পৃথিবী বা বিশ্বের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। এবং প্রচুর প্রচুর মানুষ প্রচুর প্রচুর ইনকাম করছে।
প্রথমে Blogging বিষয়টি ভালোভাবে শিখে নিতে হবে । এর কিছু টেকনিক্যাল দিক আছে । যেগুলো খুব সহজে শিখে নেওয়া সম্ভব। আপনারা যারা এখন আমার এই লেখাটি পড়ছেন এটিও কিন্তু blogging।
Blogging করতে হলে আপনার মধ্যে কিছু creative Skill থাকতে হবে। যদি সেরকম কোন Skill না-ও থাকে, ইচ্ছা থাকলে সেটি শিখে নেওয়াটাও খুব একটা কঠিন নয়।
আপনি প্রথমে Part time হিসাবে শুরু করতে পারেন। বিষয়টি বুঝে গেলে বা ভাল লাগলে ফুল টাইম করতে পারেন।
আমরা কাজ করি পয়সা উপার্জনের জন্য, আর Blogging যদি আমাদের সেই পয়সা উপার্জনের সুযোগ করে দেয় ,তাহলে লাভ ছাড়া ক্ষতি তো নেই !!!
Blogging করার জন্য অবশ্যই একটা Website থাকতে হবে। Blogging করার জন্য প্রথমে একটা ডোমিন ও হোস্টিং নিয়ে সুন্দর একটি Blogg Website বানাতে হবে। এই Website বানানোর খরচ খুব একটা বেশি নয়।
ডোমিন ও হোস্টিং নিয়ে Blogging Websiteবানানোর কথা কেন বললাম ?
Freeতেও Blogging করা যায় । কিন্তু Free Websiteকে মানুষ তেমন একটা গুরুত্ব দেয় না। এছাড়াও Grow-Up করতে হলেও অনেক সময় লেগে যায়। সেজন্য আমার মতে ,Ferr Website বিষয়টি মাথা থেকে প্রথমেই ঝেড়ে ফেলা ভালো।
অনেক কোম্পানি আছে যারা কম পয়সাতেও ডোমিন ও হোস্টিং প্রোভাইড করে থাকে। সে রকমই একটা নিয়ে আপনি অনায়াসে কাজ শুরু করতে পারেন। ডোমিনের ক্ষেত্রে .com হলেই সবথেকে ভালো।
কিভাবে Blogg লিখতে হয় ?
কিভাবে পোস্ট করতে হয় ?
কিভাবে SEO করতে হয় ?
সে বিষয়ে ইউটিউব সার্চ করেও বিষয়টি শিখে নিতে পারবেন। সবচেয়ে ভালো হয় যদি কোন ইনস্টিটিউট বা কোন Teacher-এর কাছে হাতে কলমে বিষয়টি শিখে নেওয়া যায় । এতে সময় নষ্ট কম হয়।
Blogging শিখতে হলে আমার সঙ্গেও যোগাযোগ করতে পারেন ।
বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিষয় আর ও আর্টিকেল পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন I
আগে ভালো করে Blogging বিষয়টি শিখুন। তারপর শুরু করুন। শিখে নিয়ে কোন কাজ শুরু করলে সফল হবার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।
হ্যাঁ। যে কথা বলতে ভুলে গেছিলাম,
সেটা হল, Blogging বা Online কোন বিজনেস শুরু করতে হলে ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থাকলে কিন্তু কাজটা অনেক সহজ হয়ে যায় । মোবাইলে যে করা যাবে না বা করা যায় না— তা কিন্তু নয় । অনেকেই মোবাইলে কাজ শুরু করে ইনকাম করার পর কম্পিউটার কিনেছে ।
আমার পরামর্শ,
যদি, কোন Online Business ভালো লাগে, তাহলে প্রথমে কম্পিউটার কিনে নিয়ে শুরু করুন। কম্পিউটার না থাকায় আমি অনেক মানুষকে Demotivated হয়ে অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে হারিয়ে যেতে দেখেছি ।
তবে কোন বিষয় নিয়ে খুব বেশি চিন্তাভাবনা করলে, কাজটা আদতে শুরু করা হবে না ।, সেজন্যে চিন্তাভাবনা বা ধ্যান ধারণা মোটামুটি ক্লিয়ার থাকলে শুরু করে দিতে পারেন ।
চলুন Blogging সম্পর্কে আর একটু জেনে নিই…
কিছু মানুষ আছেন, যারা পড়তে ভালোবাসেন। ভালো লেখা পেলে এক নিঃশ্বাসে পড়া শেষ করে ফেলা তাদের অভ্যাস ।
মানুষ দু ধরনের লেখা খুবই পছন্দ করে
1. মনোরঞ্জন বা আনন্দ দেয় এমন লেখা
2. informational বা তথ্যমূলক
এটা গেল পাঠকের জগত ।

আবার একশ্রেণীর মানুষ আছেন যারা লেখালেখি করতে পছন্দ করে। কিছুটা নিজের জন্য। কিছুটা মানুষকে সাহায্য করার জন্য।
মানুষকে সাহায্য করার বিষয়টি কেমন ?
চলুন দেখে নেওয়া যাক,
বর্তমান সময়ে মানুষের মধ্যে বই বা নিউজ পেপার পড়ার অভ্যাসটা দিনে দিনে কমছে। সেই জায়গা নিচ্ছে অনলাইনের নানা প্ল্যাটফর্ম। এখন মানুষের হাতে প্রচুর সময়ও নেই– খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সবকিছু পড়ার। সেই চাহিদার কথা মাথায় রেখে একটি Concept ভীষণ জনপ্রিয় হয়েছে– সেটাই হলো Blogging.
Blogging আর কিছুই না– যেগুলি আমরা প্রিন্ট মিডিয়াতে পড়তাম। সেগুলি আরো ছোট ও ইন্টারেক্টিভ ওয়েতে ব্লগিংয়ের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। এক ঝলকে পাঠক পেয়ে যান তার কাঙ্খিত বিষয়টি।
সেজন্য বর্তমান সময়ে সারা বিশ্বব্যাপী এই blogging বিষয়টি বিশেষ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। এজন্য বহু মানুষ এই পেশাতে যুক্ত হচ্ছে। অনুমান করা হচ্ছে আগামী দিনে এই পেশার চাহিদা ও গুরুত্ব আরো বাড়বে।
সেজন্য লেখালেখির অভ্যাস বা মানসিকতা থাকলে আপনি অবশ্যই Bloggingকে পেশা হিসেবে নিতেই পারেন ।
এই Business শুরু করার জন্য কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থাকলে ভালো হয়। না থাকলে স্মার্টফোনের সাহায্যেও শুরু করতে পারে। আর প্রয়োজন অবশ্যই ইন্টারনেট কানেকশন।
Blogging Conceptটি বিদেশ থেকে ধার করা । প্রথমে বিদেশে ইংরেজিতেই Blogging শুরু হয়। কিন্তু সারা বিশ্বে প্রচুর বাঙালি বা বাংলা বোঝে এরকম মানুষ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকায়– বাংলাতেও লেখা ব্লগিংও বর্তমানে যথেষ্ট জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
এটাকে কাজে লাগিয়ে ইংরেজিতে পারদর্শী না হয়েও বাংলাতে আপনার Blogg লেখার journy শুরু করতে পারেন। এই Blogg গুলি Published করার জন্য Paid Website বানিয়েও যেমন শুরু করা যায়, তেমনি Free Websiteও আছে।
আমার ব্যক্তিগত ধারণা ,তাড়াতাড়ি Grow-Up করতে চাইলে ,কিছু টাকা খরচ করে প্রফেশনাল ওয়েবসাইট বানিয়ে Blogging শুরু করাই ভালো। Blogg লেখার পর সেটাকে ওয়েব সাইটে পাবলিস্ট করতে হয়। সেখানে আপনার blogg Rank র্যাঙ্ক বিজ্ঞাপন দাতারা বিজ্ঞাপন দিতে শুরু করলে আপনার ইনকাম শুরু হবে। আরো বিশদে জানার জন্য youtube ভিডিও দেখে নিতে পারেন।
আপনার লেখাতে ট্রাফিক যত বাড়বে, বিজ্ঞাপন ও তত বাড়বে, সেই সাথে বাড়বে ইনকাম ও। সেজন্য আপনাকে উন্নত মানের, গঠনমূলক ও সৃজনশীল Blogg নিয়মিত লিখে যেতে হবে।
আপনার লেখার মান সত্যিই যদি মানুষের নজর কাড়ে বা ভালো লাগে তাহলে আপনি রাজা ।

6.You Tube Channel
মোবাইল খুললেই দেখবেন ইউটিউবারের ছড়াছড়ি ।সকলেই Youtuber।
কেন সকলে Youtuberহতে চাইছেন ?
কিছু তো আছেই !
না হলে এত মানুষ ছুটছে কেন ?
সবাই তো আর বোকা বা পাগল নয় !!
ঠিকই ধরেছেন, এখানে আছে Incomeও সেই সাথে গ্ল্যামার । খুব সহজে গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডে পা রাখার মাধ্যম হলো এই YouTube।
আপনার ভিতরে নতুন কিছু করবার জেদ ও সাহস থাকলে আপনিও এই জার্নিতে অংশগ্রহণ করতে পারেন।
Blogging-এর মতো youtube ও বিশ্বজুড়ে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে ও জনপ্রিয় হয়েছে। শুধু তাই নয় ইনকাম হচ্ছে ঈর্ষণীয়। সেজন্য এখানে ভিড়টাও দিন দিন বাড়ছে। ইউটিউব চ্যানেল বানিয়ে ইনকাম করাটা এখন সম্পূর্ণ প্রফেশনাল বিজনেস হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটা সম্পূর্ণ ইউনিক, সম্পূর্ণ ক্রিয়েটিভ একটি অনলাইন বিজনেস। যার সাকসেস নির্ভর করে সম্পূর্ণ সিস্টেমেটিক প্ল্যানিং এর ওপর। যেমন তেমনভাবে বা ছন্নছাড়া ভাবে এগোলে সাফল্য কোনদিনই আসবেনা।
সেজন্য নিজের মধ্যে কতগুলো Skill অবশ্যই থাকতে হবে। না থাকলে শিখে নিতে হবে। যেমন
কিভাবে একটি নতুন চ্যানেল ক্রিয়েট করতে হয় ?
কিভাবে ভিডিও আপলোড করতে হয় ?
কিভাবে স্ক্রিপ্ট লিখতে হয় ?
কিভাবে শুট করতে হয় ?
কিভাবে এডিট করতে হয় ?
কিভাবে সাবস্ক্রাইবার আনতে হবে ?
কিভাবে ভিউ বানাতে হবে ? ইত্যাদি ইত্যাদি
এতগুলো জিনিস একবারে শুনলে হয়তো ঘাবড়ে যেতে পারেন। কিন্তু ঘাবড়ানোর কিচ্ছু নেই। এতগুলো বিষয় শিখে নেওয়া এমন কিছু জাদু- মন্ত্র নয়। একবার শিখে নিতে পারলে রোজ একই কাজ।
যেটা নিয়ে আপনাকে প্রতিনিয়ত ভাবতে হবে ও ডেভলপ করতে হবে সেটা হল কনটেন্ট। যার জন্য লোকে আপনার ভিডিও দেখবে।
মনে রাখতে হবে— সবকিছু পরিপূর্ণ ভাবে শিখে কেউই কোন ফিল্ডে আসে না । প্র্যাকটিস করতে করতে, চেষ্টা করতে করতে অনেকেই একদিন সাফল্যের সিংহাসনে চড়তে পারে।
একটা কথা আছে—
Practic makes a man perfect
শুরু করলে,সাফল্যের কাছে পৌছাবার সম্ভাবনা তৈরি হয়। আর শুরু না করলে…….
বিজনেস সম্পর্কিত এই ধরনের আরো আর্টিকেল পাবার জন্য বা তথ্য জানার জন্য আমার ইউটিউব চ্যানেল learn digital earn money ও Sanjay Biswas Kolkata চ্যানেল দুটি সার্চ করতে পারেন I

