সন্তানের বয়স ,সন্তান বা ছাত্র-ছাত্রীদের এগিয়ে যাবার পথে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় । কোন্ বয়সে তাদের সঙ্গে কেমন আচরণ করতে হবে বা কি ধরনের আচরণ করলে সন্তান বা ছাত্র-ছাত্রী সঠিক ভাবে বেড়ে উঠবে ,সেটাই এই আর্টিকেলের আলোচ্য বিষয় । আমরা না জেনে বুঝে অনেক সময় আমাদের সন্তানদের সঙ্গে বিভিন্ন উল্টোপাল্টা আচরণ করে থাকি। যেটা কিন্তু একদমই উচিত নয়। বরং কোন্ বয়সের বাচ্চার সাথে কি ধরনের আচরণ করা প্রয়োজন বা কি ধরনের আচরণ করলে তার উন্নতি হবে সেটা জেনে নেওয়াটাই বেশি বুদ্ধিমানের কাজ । চলুন দেখে নেওয়া যাক, একটা বাচ্চার সঙ্গে তার অভিভাবক বা বাবা-মায়ের Relationটা ঠিক কি রকম হওয়া উচিত !!!

বাচ্চাদের বয়সের চারটি ক্যাটাগরি রয়েছে।
একটা বাচ্চার সঙ্গে যদি বাবা-মায়ের Bonding ভালো না হয় ,তাহলে কি কি Problem আসতে পারে ?
বাবা-মায়ের সঙ্গে যদি সন্তানের Bonding ভালো না হয় ,তাহলেই বাচ্চাদের মধ্যে নানা রকম সমস্যা সৃষ্টি হয় ।
অর্থাৎ Bonding খারাপের কারণেই বাচ্চার পড়াশোনাটা নষ্ট হয়ে যায়।
সন্তানের বয়স অনুযায়ী Activity II 09
0১থেকে 0৫ বছরের সন্তানের সঙ্গে Bonding strong করার জন্য কি করতে হবে ?
সাধারণত:
আমরা যেটা ভেবে থাকি ‘
বাচ্চাকে স্কুলে ভর্তি করতে হবে।
ICSC বা CBSC বা অন্য কোন ভাল স্কুলে ,বাচ্চাকে ভর্তি করতে হবে।
আসলে বাচ্চার বাবা মাকে, বাচ্চার ভালো বা মঙ্গলের জন্য ভাবতে হবে ।
বাচ্চাকে কখনোই বড় বড় চোখ দেখানো যাবে না।
রেগে ধমক দেওয়া যাবে না ।
মারধর করা তো অনেক দূরের কথা !
যেটা করতে হবে ,
পরিবারের সকলে আদর যত্ন ও ভালোবাসা দিয়ে বাচ্চাটাকে বা সন্তানটাকে বড় করে তুলতে হবে।
মা-বাবা ঘনঘন তাকে কোলে নিয়ে আদর করবে।
এতে
বাচ্চার Brain-এর Quality এবং Immunity System Strong হবে ।
Brain-এর Hippocampus বড় ও Strong হবে ।
স্মৃতিশক্তি প্রখর হবে ।
Learning Capacity সুন্দর হবে ।
নিরাপত্তাহীনতা বা Insecurity বাচ্চাটার মধ্যে থাকবে না ।
Confidence Level দারুন হবে ।
বাচ্চাটি Social তৈরি হবে ।
খুব সুন্দর কথা বলতে শিখবে।
বাচ্চাকে ভালোবাসা বা আদর যত্ন করার মানে কিন্তু মানে কিন্তু এটা নয় ,
বাচ্চার হাতে মোবাইল তুলে দেওয়া
চকলেট ,চিপস্ বা এই ধরনের খাবার তুলে দেওয়া ।
বাচ্চারা এটা চায়না,
বাচ্চারা তার বাবা-মাকে কাছে চায় । তাদের সংস্পর্শে থাকতে চায় ।
যতটা বেশি সম্ভব বাচ্চবাচ্চাটাকে বাবা মায়ের সঙ্গে রাখতে হবে
এতে
বাচ্চাটি খুবই Brilliant হবে ।
রাগী বা জেদী হবে না !
বোধশক্তি অত্যন্ত সুন্দর হবে।
Creativity Strong হবে ।
বাচ্চার সঙ্গে এগুলি না হয়ে যদি Opposite হয়, তাহলে বাচ্চাটিও ঠিকOpposite-ই হবে ।
সন্তানের বয়স অনুযায়ী Activity II 09
আমরা সাধারণত কি করি ?
বাচ্চার সামনে ,অনেক সময়ই বাবা-মা প্রচন্ড চিৎকার করে কথা বলে থাকে ।
বাচ্চাকেই ধমক দিচ্ছি,

মারধোর করছি,
আদর যত্ন সেভাবে করছি না,
বাবা-মা প্রচন্ড চিৎকার করে কথা বলেও বকাবকি করে ।
অন্যরকম পরিবেশ !
বাচ্চাটা রাগী বা জেদি হবার সেই শুরু বা সেটাই তার গোড়া ।
একটি বাচ্চাকে যদি আমরা সত্যি সত্যিই বুদ্ধিমান বানাতে চাই ?
সত্যি সত্যিই পড়াশোনাতে ভালো বানাতে চাই ?
তাকে যদি Social করতে চাই ?
Iintelligent করতে চাই ?
বোধশক্তি Strong করতে চাই ?
সৃজনশীলতা Better করতে চাই ?
তাহলে,
0১বছর থেকে 0৫ বছরের মধ্যে পড়াশোনা জন্য কোন Pressure দেওয়া যাবে না ।
শুধুমাত্র খেলার ছলে,
যদি সে বাবা মাকে খুব পছন্দ করে ,
বাবা মা যদি তার খুব Favorite হয় !
তাহলে সেই বাবা-মা, বাচ্চাকে অনেক কিছু শেখতে পারবে ।
তখন বাবা-মা বাচ্চাটাকে দিয়ে যেটা করাতে চাইবে, বাচ্চাটি সেটাই করবে ।
সেই বাচ্চা অনেক দূর পর্যন্ত যাবে।
অনেক বড় হবে।
কিন্তু এর Opposite হলে , Result Opposite-ই হবে ।
0১ বছর থেকে 0৫ বছর নয়,
0১ থেকে 0৯ বছর বয়স পর্যন্ত আমরা বাচ্চাদের সঙ্গে বা বাচ্চাদের সামনে চিৎকার করে কথা বলবো না ।
এই সময় বাচ্চাদের Brain এর যে Cortex রয়েছে, সেটা নরম থাকে।সেই নরম Sell কিন্তু Damage হবে ।
Brain কিন্তু Hamerage হবেই।
সেই জন্য বাচ্চাটার মধ্যে যে intelligence রয়েছে। তার যে বোধশক্তি,Logical Sense বা বিচার শক্তি — কিন্তু বাচ্চাটা চিরতরে হারিয়ে ফেলবে।
সন্তানের বয়স অনুযায়ী Activity II 09
0৬ থেকে 0৯ বছরের সন্তানের সঙ্গে Bonding strong করার জন্য কি করতে হবে ?
এই বয়সের বাচ্চারা Fun Oriented হবে । এরা সমস্ত কিছু মজার ছলে করতে চায়।
ঘুম থেকে উঠে,
ব্রাশটাও করবে মজার ছলে।
মজা করে করে স্নান করবে !
জল ছড়াবে,
জল ঘাটাঘাটি করবে,
মায়ের গায়ে বা আশেপাশে যারা থাকবে তাদের গায়ে জল ছেটাবে !
এতে মায়েরা অনেক সময় রেগে গিয়ে React করেন ।
মা চাইছেন…
বাচ্চাটা ফটাফট স্নান করে নিক,
কিন্তু বাচ্চার বয়স তো 0৬ থেকে 0৯ বছর,
মায়ের বয়স কিন্তু ৩০ বছর !
মা চাইছে বাচ্চার মধ্যে ৩০ বছরের ম্যাচুরিটি চলে আসুক !
মা যা যা বলবে ,বাচ্চাটি সুন্দরভাবে সেই সমস্ত কিছু করবে !
সুন্দরভাবে সেই সমস্ত কিছু Maintain করবে ।
এগুলো প্রায় সব বাবা মায়েরা-ই চান !
তার মধ্যে ম্যাচিউরিটি যত তাড়াতাড়ি আসবে ততোই ভালো !
কিন্তু
এটা কখনোই সম্ভব নয় !
যদি আমরা এটা জোর করে করতে চাই ,তাহলে প্রতিক্রিয়া অন্যভাবে হবে !
যদি আমরা কোন বাচ্চাকে দিয়ে কোন কিছু করিয়ে নিতে চাই,
তাহলে যেটা করতে হবে….
বাবা-মায়ের Activity হবে Fun Oriented .
তাহলে বাচ্চারাও মজার ছলে কাজগুলো করে নেবে।
তার বদলে,
বাবা মায়েরা হয়ে গেছেন ভীষণ Serious !
যেহেতু আমাদের খুব সময়ের অভাব রয়েছে,
সেজন্য ,বাবা-মা যেটা করেন….
সাতটা বেজে গেছে ,ঘুম থেকে উঠে পড়ো।
টিউশন যেতে হবে।
তারপর, খেয়ে নাও, স্নান করে নাও।
এক্ষুনি গাড়ি এসে যাবে,
এই এই যে তাড়াহুড়ো
এটাই কিন্তু বর্তমান বাবা-মায়ের প্রকৃত Attitude
যেটা তারা লাগাতার করে চলেছেন।
ফলে ,বাচ্চারাও কাজগুলোকে খুব Seriously নিয়ে নিয়েছে।
পড়াশোনাটা যে একটা খুবই Serious Matter সেটা বাচ্চার Brain-এ Input হয়ে গেছে।
যেহেতু বাচ্চারা Serious হয়ে গেছে, সেহেতু পড়াশুনাটা একটা ভয়ের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পড়াশোনাতে আর মনোযোগ দিতে পারছে না !
পড়াশোনাটা down হয়ে গেছে ।
কিন্তু যতদিন পড়াশোনাটা
গল্পের ছলে,
মজার ছলে হয়েছিল,
ততদিন বাচ্চারা সুন্দরভাবে পড়াশোনাটা করেছে।
সেই জন্য ,বাচ্চাদের সঙ্গে সব কিছুই হবে Fun Oriented !
Task Oriented হলে হবে না !

এই সময়, বাবা মা বাচ্চাদের মত হয়ে ,ভালবেসে ,কথা বলে কাজ করিয়ে নিতে হবে ।
এই বয়সে বাচ্চাদের Creative Brain Active হতে শুরু করে ।
এই সময় Creative Brain Maximum Development হয়ে থাকে।
Visualization Power Strong হতে থাকে।
যেমন,ধরা যাক ….
একটা রাস্তা সমুদ্রের দিকে যাচ্ছে,
আপনিও সমুদ্রের দিকে ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছেন।
সমুদ্র নীল , সুন্দর আকাশ !
সূর্য উঠছে লাল ।
এগুলো শোনার সাথে সাথে ,আমাদের মনে কিন্তু ঠিক এইরকম একটা ছবি বা দৃশ্য ভেসে উঠছে।
আমাদের Imagination-এ চলে আসছে Automatic .
এটা কিভাবে আসছে ?
যেহেতু,
আমাদের Visualization Power Strong হয়ে গেছে ।
কিভাবে,আমাদের Visualization Power Strong হয়েছে ?
ছোটবেলাতেই আমাদের Visualization Power Strong করা হয়েছে ।
যে সমস্ত বাচ্চারা Class এর একেবারে প্রথম সারিতে থাকে ।
এক থেকে দশ এর মধ্যে Rank করে ,
বা যারা Top result করে,
তাদের মধ্যে একটা Best Quality থাকে।
সেটা হল…
তারা যেকোনো জিনিস, বিষয় বা Subject, Visual Form-এ Transform করতে পারে ।
যদি কোন বাচ্চা Subjectকে Visual Form-এ Transform করতে না পারে !
তাহলে কিন্তু ,সেই বাচ্চা পড়াশোনাতে ভালো হবে না।
এটা একটা Student-এর Top Secret .
সেজন্য শিখতে হবে,
একটা Subject কে কিভাবে Visual Form-এ আনতে হয় ।
এগুলো Research Based.
সেজন্য ছয় থেকে নয় বছরের বাচ্চাদের প্রচুর পরিমাণে গল্প শোনাতে হয়।
প্রয়োজনে Audio Visual কোন মাধ্যমে ব্যবহার করা যেতে পারে ।
Entertainment Perpose নয়,
গঠনমূলক কিছু বিষয় দেখানোর জন্য ।
সন্তানের বয়স অনুযায়ী Activity II 09
কোন সময়ে গল্প শোনালে ভীষণ কার্যকরী হয় ?
যখন বাচ্চাটা ঘুমতে যাচ্ছে ।
সেই গল্প শোনাতে হবে….
যেটা গঠনমূলক,
যেটার একটা সারাংশ রয়েছে,
নীতিমূলক গল্প।
কেন রাত্রিবেলা শোবার আগে সেই গল্প শোনাতে হবে ?
কারণ,
আমাদের Brain-এর অনেকগুলো স্তর থাকলেও,
মূলতঃ দুটি প্রধান স্তর ।
0১. Conscious Mind (চেতন মন )
0২.Sub-Conscious Mind ( অবচেতন মন )
Sub-Conscious Mind Active থাকে রাত্রিবেলা।যখন বাচ্চারা শুতে যাচ্ছে ।
সেই সময়,
কোন বাচ্চাকে ,কোন কথা জিজ্ঞাসা করলে, সে সরল মনে গড় গড় করে সব কথা বলে দেবে !
এই সময় ,পাশে শুয়ে
তাকে কোন কিছু বোঝালে ভীষণভাবে কাজ করবে।
আমরা যদি একটা বাচ্চার মধ্যে একটা ভালো Habbit Build করতে চাই,
ভালো কিছু দিতে চাই ,বা ভালো কিছু শেখাতে চাই ,
সারাদিনে কিছু বলার দরকার নেই
অর্থাৎ সারাদিন কিছু না বললেও চলবে সেইভাবে
বলতে হবে রাত্রিবেলা ।
এইভাবে এইভাবে এক সপ্তাহ বা ১৫ দিন ধারাবাহিকভাবে বলতে হবে,
তাহলে সেটা ,সেই বাচ্চার Habbit-এ রূপান্তরিত হবে ।
আবার
কোনকিছু Enjoymentএর সাথে শেখালেও বাচ্চার মনে থাকে।
0৬ থেকে 0৯ বছর বয়সী বাচ্চাদের মধ্যে Emotion গঠন হয় ।
অর্থাৎ এই সময়েই আমাদের মধ্যে যে Emotional site আছে সেটা Total গঠন হয় ।
সেই জন্য
বাচ্চাকে কখনোই Heart করে কথা বলা উচিৎ নয় ।
গল্পের ছলে, বুঝিয়ে ,কোন কাজ করাতে হবে।
যখন আমরা, বাচ্চার সঙ্গে সময় কাটাবো।

তখন
কিছু Image, কিছু Puzzle ব্যবহার করব।
যেটা Visulazitionএর কাজে লাগবে ।
সন্তানের বয়স অনুযায়ী Activity II 09
Quality Time Spent করতে হব
অনেক বাচ্চার মধ্যে খুব ভালো Creativity থাকার জন্য,
সে নতুন নতুন কিছু জিনিসপত্র বানিয়ে নিয়ে,
বাবা-মাকে দেখানোর জন্য তাদের কাছে যায় ।
বলে,আমি একটা নতুন জিনিস তৈরি করেছি তুমি কি দেখবে ?
তখন
বাবা মা নিজেদের কাজে প্রচন্ড ব্যস্ত থাকার জন্য,
তাকে সরিয়ে দেয় ।বলে..
এখন আমি ওসব দেখতে পারবো না।
তুমি পরে এসো,
এই “পরে এসো” শব্দটা প্রতিদিন সে শুনতে থাকে।
এর ফলে বাচ্চাটির মধ্যে তৃতীয় কোন জিনিস চলে আসে।
আমরা যদি আমাদের সন্তানকে Quality Time দিতে পারি,তাহলে ১০০% গ্যারান্টি !
বাচ্চাটি Mobile-এ হাত-ই দেবে না ।
আপনার কি মনে হয় ?
Quality Time Spent করার অর্থ এই নয় যে ,
সব সময় বাচ্চার সঙ্গে পড়াশোনার কথায় আলোচনা করতে হবে।
হাসি
আনন্দ
মজা করে বাচ্চাটির সঙ্গে সময় কাটাতে হবে।
যেমন
বাচ্চাটির স্কুলের কথা,
বাচ্চাটি School-এ কেমন এনজয় করছে !
সে কোন বন্ধুর সঙ্গে কিভাবে খেলছে,
স্কুলে কি কি হল,
অর্থাৎ
বাচ্চাটি যেন আমাদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে মজা পায় আনন্দ পায়।
যে বাবা-মায়ের সঙ্গে সময় কাটাতে বাচ্চাটির ভালো লাগবে ,
সেই বাবা মায়ের কাছে পড়তেও বাচ্চাটি নিশ্চিত ভাবেই পছন্দ করবে।
বিষয়টি একটির সাথে অন্যটি Connected.
যেমন,
আমি বাচ্চা সঙ্গে Quality Time কাটায় না,
অথচ
আমি বাচ্চাটাকে পড়াতে চাইছি।
সেই পড়াটা কখনোই ভালো হবে না।
কখনই ভালো হতে পারে না !
সন্তানের বয়স অনুযায়ী Activity II 09
বাচ্চাকে ছোট ছোট Duty’s শেখাতে হবে
যেমন–
বাচ্চাটি Wash Room-এ গেল,
Wash Room-Use করার পর Properly water Use করা হচ্ছে কিনা ?
সেই বিষয়ে বারবার সচেতন করা ।
বারবার বলতেই হবে,
বারবার শেখাতেই হবে ।
Pressurise নয়, শেখাতে হবে ।
সে যখন স্কুল থেকে আসছে
জুতোটা সে কোথায় রাখছে ? কিভাবে রাখছে ?
গুছিয়ে রাখছে তো ?
না ,এদিক ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখছে ?
ইউনিফর্ম টা সঠিক স্থানে রাখছে তো ?
না, যেখানে সেখানে গুঁজে রাখছে ?
তাকে দেখাতে হবে,
শেখাতে হবে,
স্কুল থেকে এসে কোথায় কিভাবে জামা জুতো রাখবে !
স্নান করে আসার পর, গামছাটা কোথায় কিভাবে রাখতে হবে !
ভেজা গামছা হয়তো বিছানাতে রেখে দিল !
গামছা ছুঁড়ে ফ্যানে জড়িয়ে দিল,
এমনটা যেন না হয় !
গামছা ব্যবহারের পর,Proper জায়গাতে সঠিকভাবে রাখা শেখাতে হবে।
চকলেট বা লজেন্স খাওয়ার পর Rapper-টা সঠিক জায়গাতে ফেলতে হবে ।
যেখানে সেখানে নয় !
সেজন্য আগে থেকে ডাস্টবিনের ব্যবস্থাও রাখতে হবে।
খাবার খাওয়ার পর Dishটা Proper স্থানে রাখাটাও শেখাতে হবে ।
সন্তানের বয়স অনুযায়ী Activity II 09
বাচ্চার পড়ার Bag কখনোই কোন বাবা মা গুছিয়ে না দেন !
এগুলো সে যেন নিজে থেকে শিখে, ঠিকঠাক করতে পারে।
কোন বাচ্চাকে 0৫ বছর পর্যন্ত খাইয়ে দিলেও 0৬ বছরের বাচ্চাকে কখনোই খাইয়ে দেওয়া যাবে না বা উচিত নয়।
সেই বাচ্চা যদি নিজের হাতে না খায় ,তাহলে সেই বাচ্চার শরীর কিন্তু খারাপ হয়ে যাবে ।
কখনোই সে ভালো হবে আর না অর্থাৎ অসুস্থতা তার সঙ্গে সারা জীবন ধরে থাকবে।
যে বাবা মা 0৬ বছরের পরেও বাচ্চাকে খাইয়ে দিচ্ছে।
0৮ বছর বা 0৯ বছরে গিয়ে দেখা যাবে ,ওই বাচ্চাটির শরীর খারাপ হয়ে গেছে ।
সে নানা রকম অসুস্থতায় ভুগছে।
তার অসুস্থতা যেন থাকে ছাড়তেই চাইছে না।
বিভিন্ন সময় নানারকম উপসর্গ তার মধ্যে দেখা দিচ্ছে ।

অনেক মায়ের-ই এই ভ্রান্ত ধারণা থাকে যে…
মা খাইয়ে দিলে,তবেই বাচ্চাটি খাবে !
মায়ের নিজের মনের শান্তির জন্য
বাচ্চাটির আর নিজের হাতে খাওয়া হয়ে ওঠে না ।
মা-ই খাইয়ে দেন। বলেন…
আমি না খাইয়ে দিলে বাচ্চাটি খাবেনা ।
আসলে আমরাই ছাড়ি না !
নিজে হাতে খাবার অভ্যাসটা আর করানো হয় না !
এই অভ্যাসটা ছয় বছর বয়স থেকেই করিয়ে দেওয়া উচিত।
এতে বাচ্চাটি শরীর স্বাস্থ্য ও মন ভালো থাকবে।
আর খাবার সময় একদমই ফোন দেওয়া যাবে না।
এতে খাবারের কোন উপকারিতা থাকে না।
বাচ্চাকে এই গুলো শেখাতে হবে।
আমরা অনেক সময়ই বাচ্চা কোন ভুল করলে বকাবকি করে থাকি।
, নিজেকে একবার প্রশ্ন করুন তো ?
আমি কি বিষয়টি বাচ্চাটাকে শিখিয়েছি ?
কি করা উচিত !
কি করা উচিত নয় !
শেখায়নি কিন্তু।
Result চাইছি… !!!
সন্তানের বয়স অনুযায়ী Activity II 09
এই সময়ে দেখতে হবে আমাদের সন্তানের কোন বিষয়ে আগ্রহ বা Interest
বাচ্চা কি কি বিষয়ে আগ্রহ বা Interest দেখাচ্ছে !~
ও কি করছে !
বাচ্চার আগ্রহ বা Interest অনুযায়ী তাকে পরিচালিত করতে হবে।
কিন্তু আমরা যেটা করি,
আমাদের ইচ্ছা ও সখ অনুযায়ী আমরা বাচ্চাটিকে বিভিন্ন রকম Activity’র সঙ্গে জুড়ে দিই ।
এতে হিতে, বিপরীত হয় ।
একটা বাচ্চাকে বড়জোর দুইটি বিষয় বা Activity’র সঙ্গে জুড়তে পারি ।তার বেশি কখনোই নয় !
একটা শারীরিক বা Physical exercise মূলক,
আরেকটা সৃজনশীল বা Creative Oriented.
অনেক রকম Activity দিলে, বাচ্চাটির সকাল থেকে একটি পর একটি চলতেই থাকে।
একটা Activity থেকে অন্য Activity’র মাঝে কোন Gap-ই নেই ।
ফলে বাচ্চাটি Puzzled হয়ে যাবে,
বিরক্ত হয়ে যাবে এবং
Mentally tired হয়ে যাবে !
বাচ্চাকে সব সময় Speach দিতে হবে ।
যাতে সে মজা করে, খেলে, কাজগুলো করতে পারে ।
এখন একটা বাচ্চার পড়াশোনা এবং তার সিলেবাস এমন হয়ে গেছে
একটার পর একটা টিউটর, টিউশনি চলেই যাচ্ছে।
একটা ছোট্ট বাচ্চা তাহলে কিভাবে এগোবে ?
বাচ্চাদের সঙ্গে এভাবে চলতে থাকলে, যখন বাচ্চাটির বয়স ১৫ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে হবে,
তখন এরা মারাত্মক কোন এডিকশনের মধ্যে যাবেই ।
কারণ ওই বাচ্চাটির Frustration ( পরাজয় )
Depression(বিষন্নতা )এর Reaction-এ
সে কোন কিছুতে Addicted হবেই।
সন্তানের বয়স অনুযায়ী Activity II 09
১0 থেকে ১২ বছরের সন্তানের সঙ্গে Bonding strong করার জন্য কি করতে হবে ?
১০ থেকে ১২ বছরের বাচ্চাদের যাতে Logical Brain Develop হয় সেজন্য বিভিন্ন ধরনের Activity করতে হয় ।
যেমন..
Abacus-এ দিতে পারি ,
Chaseবা দাবা খেলাতে দিতে পারি,
Puzzle বা রুবিক্স কিউব খেলাতে পারি,
এগুলো বাবা-মায়েরা খেলার ছলে বাচ্চাদের মধ্যে চালু করবেন।
, প্রয়োজনে বাবা-মাকেChaseবা দাবা খেলা শিখে নিতে হবে,
এতে বাচ্চার Develomentবেশি হয় ।
আমরা সাধারণত কোন কিছু Practic করার জন্য অন্য কোথাও admissionকরে দিয়ে থাকি ।
তার বদলে, নিজেরাই যদি সেটা শিখে নিয়ে ,সেটা বাচ্চাদের সঙ্গে করতে পারি ,
তাহলে ভীষণ ভালো ফল বা result পাওয়া যায়।
বাচ্চারা বাবা মায়ের কাছে বেশি ভালো শেখে।
অর্থাৎ
কোন বিষয়ে Baseটা যদি আমরা তৈরি করে দিতে পারি ,সেটা বাচ্চার পক্ষে ভীষণ উপকারী হবে।
এতে বাচ্চার Interest Grow করে।
সন্তানের বয়স অনুযায়ী Activity II 09
আরেকটি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার বা বিষয়
বাচ্চাটি কার সঙ্গে বেশি কথা বলছে ?
কোথায় বেশি Interested ?
বাইরে থেকে বাচ্চাটি Properly বাবা-মায়ের সাথে সবকিছু Excplain করছে কিনা ?
সবকিছু Share করছে কিনা ?
কিছু বলার প্রয়োজন নেই।
বাবা-মাকে সেটা Notice করতে হবে।
Observe করতে হবে।
সে যদি কারো সাথে বেশি কথা বলে,
কেন বলছে ?
কেন কথা বলছে ?
কতদিন ধরে বলছে ?
সে কে ?
কি বিষয়ে কথা বলছে ?
এই সমস্ত বিষয়গুলি বাবা-মাকে Noticeকরতেই হবে ।
সন্তানের বয়স অনুযায়ী Activity II 09
ছোট ছোট কিছু দায়িত্ব বা Responsibility বাড়াতে হবে
বাচ্চা বা সন্তানকে সাথে করে বাজারে নিয়ে যাওয়া,
মুদিখানার দোকানে নিয়ে যাওয়া,
ঔষধের দোকান বা মেডিসিন সপে সাথে নিয়ে যাওয়া।
অর্থাৎ Responsibility বা দায়িত্ব একটু একটু করে বাড়িয়ে দেওয়া।
আমরা যদি ছোটবেলা থেকেই দায়িত্ব বা Responsibility না বাড়াতে পারি,
তাহলে ,সেই বাচ্চা ভবিষ্যতে কিছুই শিখবে না এবং কিছু পারবেও না।
বাচ্চাকে এই বয়সেও সময় অর্থাৎ Quality Time দিতে হবে ।
বাচ্চাটি যে সমস্ত প্রশ্ন করবে সেগুলো এড়িয়ে যাওয়া যাবে না বা এড়িয়ে যাওয়া উচিত হবে না ।
তার প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে হবে । তাকে অবজ্ঞা বা Ignor করা যাবে না।
আমাদের বাড়ির যেকোনো কাজে তাকে Participate করাতে হবে।
Involve করাতে হবে ।
গুরুত্ব দিতে হবে ।
Priority দিতে হবে।
সে যেন বুঝতে পারে তার গুরুত্ব আছে এখানে।
বাবা-মায়ের কোন Private কথা বা Privacy Matter গুলো কখনোই বাচ্চার সামনে আলোচনা করা উচিত নয়।
সেগুলো হবে বাচ্চা চোখের আড়ালে বা একান্তে ।
বাচ্চাটিকে এটা কখনোই বলা যাবে না,
আমরা বড়রা এখানে কথা বলছি,
তুমি এখান থেকে যাও বা পরে আসবে।
এই ধরনের আচরণ বাচ্চার আত্মসম্মানে আঘাত করে ।
এতে সন্তানের Ego Heart হয় ।
সন্তানের বয়স অনুযায়ী Activity II 09
তার কথাকে গুরুত্ব দিতে হবে
তাকে জিজ্ঞাসা করতে হবে,
আচ্ছা বলতো ,এটা করলে কেমন হবে ?
ধরা যাক,
বাড়িতে বা ঘরে Paint করা হচ্ছে,
তাকে জিজ্ঞাসা করতে হবে,
আচ্ছা বলতো ,কেমন Paint করলে ভালো হবে ?
গাড়ি কেনা হচ্ছে…
জিজ্ঞাসা করতে হবে।
বলতো কোন কালারটা কিনলে ভালো হবে ?
আচ্ছা,
আমাদের Bed Room-এ আলমারি টা কোথায় রাখলে ভালো হবে ?
এই ধরনের বিষয়ে সন্তানের পরামর্শ গুলি চাইলে,
সে আত্মবিশ্বাস বা Confidence পাবে।
সে বুঝতে শিখবে ,
তারও গুরুত্ব আছে।
তার কথারও দাম আছে।
তার পরামর্শর ও দাম আছে।আমার dessision-এর দাম আছে ।
অর্থাৎ
Prioyity Feel করানো ,
এতে করে ওই বাচ্চার Confidence Building হবে ।
সন্তানের বয়স অনুযায়ী Activity II 09
১৩ বছর বা তার বেশী বয়সের সন্তানের সঙ্গে Bonding strong করার জন্য কি করতে হবে ?
বাচ্চা বা সন্তানের ক্ষেত্রে ১৩ বছর বা তার বেশি বয়সটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা সময়।
এটা খুবই Crucial Age বা Crucial Time বা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা বয়স হলএই Teen Age.
এই সময় ছেলে বা মেয়ে উভয় শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে একটা Hormonal Change আসতে থাকে।
ফলে ,
এদের Mood Sweeing হয় ।
একটা Privacy তৈরি হয়।
সে নিজেকে Recognized করতে চাই বা
Recognized করতে শুরু করে ।
এতদিন যেটা সে করেনি !
এবার সে নিজের প্রতি নিজে খেয়াল দিতে শুরু করে।
নিজেকে কতটা সুন্দর লাগছে !
নিজেকে কতটা ভালো লাগছে !
সে আয়নায় বারবার নিজেকে দেখছে,
বারবার নিজের চুল ঠিক করছে,
এই গুলোই কিন্তু Hormonal Changes.
এই সময়…
সে নিজের একটা ব্যক্তি সত্তাকে খোঁজার চেষ্টা করে !
নিজের একটা Privacyতৈরি করে ।
সে ,নিজের বন্ধু খোঁজে।
যাকে সে মনের কথা বলতে পারে ।
এই সময়….
যদি ,বাবা মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো না থাকে !
যদি ,বাবা-মাকে সবকিছু খুলে বলতে না পারে !

খুলে বলার Environment যদি না থাকে !
সেই সন্তান বা বাচ্চাটি
অন্য একটি Personবা মানুষ খুঁজবে,
যেখানে গিয়ে,সে তার মনের কথাগুলো বলতে পারবে ।
আর,
এই সময়টাতে যত বা গন্ডগোল গুলো হয়
এই সময়টাতেই যত Problem বা গন্ডগোলগুলো হয়।
এই সময়টাতে যেহেতু বাচ্চাটির নিজের Decision নেবার ক্ষমতা হয় না ,
সেটা বুঝতে পারেনা…
ভুল কোনটি ?
সঠিক কোনটি ?
সেভাবে..
সে যেটা করছে ,সেটা ঠিকই করছে ।
আর
যেহেতু এই বয়সে ছেলে বা মেয়ের মধ্যে নানা রকম Hormonal Changes ঘটে ,
সেগুলি যেন বাবা মায়ের কাছে বলার মত Situtionবা Environment তৈরি করা থাকে।
Maximum Famally-তেই কিন্তু ছেলে বা মেয়েটি তাদের সমস্যার কথা বলতে পারে না।
সেই জন্য ,
বাবা মায়েদের একটি Society তৈরি করতে হবে ।
যেখানে এসে একজন সন্তান তার সমস্যা বা Problem এর কথা নির্দ্বিধায় বলতে পারবে।
মাকেও যেন বলতে পারবে,

আবার বাবাকেও যেন বলতে পারবে।
তাহলে…
সেই বাচ্চাটির Trird কোন Person আর লাগবে না। যার কাছে সে গিয়ে তার মনের কথা Shereকরবে ।
তার কোন Privacy লাগবে না ,
বাবা -মাই তার জীবনের প্রধান বন্ধু হবে।
এতদিন পর্যন্ত তার বাবা-মা তার বন্ধু ছিল না !
শুধুমাত্র তাকে Observ করছিল,
Notice করছিল।
কিন্তু 13 বছর বা তারপরে সন্তানের বন্ধু হয়ে যেতে হবে বাবা মাকে ।
তাহলে,
সে তার সমস্ত সমস্যার কথা,
কি হচ্ছে না হচ্ছে !
সেই কথাগুলো বাবা -মাকে বলতে পারবে ।
তাহলে তা বাচ্চাটি খুবই Safe Feel করবে ।
তার মনে হবে আমার বাড়ির Environmentটিতে সবকিছু মনের কথা খুলে বলা সম্ভব !
এতে বাচ্চাটি খুবই Happy থাকবে।
তার Depression-এর কোন জায়গা থাকবে না ।
কিন্তু..
বাবা-মাকে যদি বলতে না পারে !
তাহলে,
একটি চাপ
একটা Tension
একটা Depression কিন্তু বাচ্চার মধ্যে চলে আসবে ।
যাতে এই ধরনের একটা চাপ,Tension,Depression চলে না আসে ,
সেজন্য এই ধরনের একটা Environment আমাদের Creat করতে হবে।
সেজন্য
প্রথমে নিজে সচেতন হতে হবে।
ছাত্রছাত্রীদের বাবা-মাকে সচেতন করতে হবে।
প্রতিবেশীদের বোঝাতে হবে।
আমাদের সাথে যারা বিভিন্নভাবে যুক্ত ,
যদি দশটা পরিবার বা Famaly’র মধ্যেও যদি এইChange টা চলে আসে,
যদি ১0 টা Student Develop হয়ে যায় ,
তাদের চিন্তা-ভাবনা
তাদের মানসিক গঠন Develop হয়ে যাবে
ফলে তারা খারাপ হবে না , তাদের জীবনে ঘটবে প্রভূত উন্নতি ও উন্নয়ন ।
এইভাবেই আমরা আমাদের সন্তান ও সমাজের
পরিবর্তন আনতে পারবো ।
চলুন না এই পদ্ধতি মেনে, আমরা সকলে মিলে একবার চেষ্টা করে দেখি ।

এই ধরনের Article আরো পড়ার জন্য এখানে Click করুন । Articleটি ভালো লাগলে. Like ,Comments ও Share করে আমার সঙ্গে থাকবেন। এছাড়াও Business Information ও Business Motivation-ও Human Psychology বিষয়ক নানা Information এর জন্য আমার Face Book Page,
আমার website : sanjaybiswas.com Visit করতে পারেন এবং
আমার দুইটি YouTube channel 1. Learn Digital Earn Money ও Sanjay Biswas Kolkata-কে অবশ্যয় subscribe করে রাখুন ,সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ video সবার আগে পাবার জন্য ।

